সাবেক আইজিপি শহীদুল হকসহ ৬ আসামি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে - জনবার্তা
ঢাকা, শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাবেক আইজিপি শহীদুল হকসহ ৬ আসামি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে

জনবার্তা প্রতিবেদন
মার্চ ২৪, ২০২৫ ১২:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হকসহ ছয়জনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন— সাবেক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, সাবেক মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. জসীম উদ্দীন মোল্লা, সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দন সরকার, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার রাজন কুমার সাহা, এবং সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এসএম মাইনুল ইসলাম।

সোমবার (২৪ মার্চ) সকালে এই ছয় আসামিকে পৃথক তিনটি মামলায় কেন্দ্রীয় কারাগার এবং গাজীপুর কাশিমপুর কারাগার থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার এবং অন্য দুই সদস্যের নেতৃত্বে তাদের গ্রেফতার এবং প্রতিবেদন দাখিলের জন্য শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

বিশেষত, রাজধানীর কল্যাণপুরের ‘জাহাজ বিল্ডিং’ নামের একটি বাসায় ২০১৬ সালে অভিযানে নয়জন ইসলামী যুবককে হত্যার ঘটনায় সাবেক আইজিপি শহীদুল হকসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার পর দাবি করেছিল, ওই বাড়িতে ‘জঙ্গি আস্তানা’ ছিল এবং সেখানে থাকা নয়জন ‘জঙ্গি’ নিহত হয়েছে। এই অভিযানে নিহতদের মধ্যে জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) সংগঠনের সদস্যদের পরিচয় দেওয়া হয়েছিল, এবং পুলিশের দাবি ছিল যে, ওই বাড়িতে গুলশানের মতো বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল।

এছাড়া, রামপুরায় এক যুবককে শাস্তি দেওয়ার জন্য গুলি করে হত্যা এবং গাবতলী এলাকায় গণহত্যার ঘটনার জন্যও ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ২৬ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরে ‘জাহাজ বিল্ডিং’ নামের বাসায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে গেলে পুলিশের দাবি অনুযায়ী সেখানে অবস্থানরত নয়জন জঙ্গি নিহত হয়। তৎকালীন আইজিপি শহীদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে এ হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে বক্তব্য দেন, যেখানে তিনি নিহতদের জেএমবি সদস্য বলে উল্লেখ করেছিলেন।

এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আগামী শুনানিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং প্রমাণ জমা দেওয়া হবে।