পিটার হাস কলম্বো থেকে আজ সকালে শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনসের ঢাকাগামী ফ্লাইটে ওঠেন। তবে তিনি ট্রানজিটে ছিলেন, নাকি কলম্বো থেকেই ফিরলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনসের ঢাকা-কলম্বো ফ্লাইটে পিটারের সহযাত্রী ছিলেন একটি জাতীয় পত্রিকার একজন প্রতিনিধি। তিনি উড়োজাহাজে পিটার হাসের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি বলেন, নো কমেন্ট।
কলম্বো থেকে সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উড্ডয়ন করা উড়োজাহাজটি ঢাকার সময় সকাল সাড়ে ১১টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক করার বিষয়ে মার্কিন তাগিদ ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ১৬ নভেম্বর ঢাকা ছাড়েন পিটার হাস। তাঁর ঢাকা ছাড়া নিয়ে নানামুখী কথা শুরু হয়।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মার্কিন কোনো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শমূলক বৈঠকে যোগ দিতে পিটার হাস ঢাকা ছাড়তে পারেন—এমন আলোচনা আছে কূটনৈতিক মহলে। অবশ্য ঢাকায় দেশটির এক কূটনীতিকের দাবি, রাষ্ট্রদূত ছুটি কাটাতে গেছেন।
পিটার হাস যখন ঢাকায় নেই, সেই একই সময়ে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানও ছুটিতে কর্মস্থলের বাইরে আছেন। তিনি চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে আছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান।
গত শুক্রবার দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আয়োজনে ৯০ দেশের কূটনীতিকদের এক সভায় মোহাম্মদ ইমরান উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন এ সভায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক হালচাল ও নির্বাচন আয়োজনের নানামুখী প্রস্তুতির কথা বিদেশি কূটনীতিকদের জানান।
পররাষ্ট্রসচিব গতকাল সোমবার ঢাকায় সাংবাদিকদের জানান, মোহাম্মদ ইমরান সরকারের যথাযথ অনুমোদন নিয়েই ‘পারিবারিক ছুটিতে’ আছেন। সহসাই তিনি ওয়াশিংটনে ফিরবেন।
