বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেন, জনগণ এই স্বৈরাচারী সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত প্রহসনের নির্বাচনের তফসিল প্রত্যাখ্যান করে নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছে। একতরফা নির্বাচনে জনগণের কোনো অংশগ্রহণ নেই। কারণ দেশবাসী জানে ৭ জানুয়ারি মুলত নির্বাচন নয় বরং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এমপিদের নামের তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। জনগণকে যারা ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে তারা দেশের শত্রæ।
তিনি বলেন, সরকার গণতান্ত্রিক বিশ্ব থেকে বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে বাদ দিয়ে নির্বাচনের নাটক মঞ্চস্থ করতে যাচ্ছে। সংসদের বিরোধী দল কে হবে? ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিধিদলের এমন প্রশ্নই প্রমাণ করে, সরকার সাজানো ও পাতানো নির্বাচন করছে। জনগণ এই তামাশার নির্বাচন মেনে নিবে না। ফলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তুলে এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য প্রহসনের নির্বাচন বর্জন ও ভোট প্রদান থেকে বিরত থাকার আহŸান জানিয়ে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন স্পটে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় জামায়াত নেতা আক্তারুজ্জামান, এবি এম মুহিব, আব্দুর রাজ্জাক, এনায়েতুর রহীম, আব্দুল জব্বার মৌলভী, এহতেশামুল হক, কবির উদ্দীন, মাহবুব উদ্দিন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান ক্ষমতালোভী আওয়ামী সরকার ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো করে দেশে আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আওয়ামী সরকারের এই প্রহসনের নির্বাচনকে দেশবাসী বয়কট করেছে। এই অবৈধ সরকার ৭ জানুয়ারি যে নির্বাচনী খেলা তৈরি করেছে, সচেতন নাগরিক হিসেবে সেই নির্বাচন বর্জন ও ভোট প্রদান থেকে বিরত থেকে সরকারের ভোটাধিকার হরণের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করার জন্য আমরা খুলনাবাসীকে আহŸান জানাচ্ছি।

