নগর বিএনপি’র আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, গত ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ দেশটাকে ‘জোর যার মুলুক তার’ বানিয়েছে। মনে হয়, সহিংস আক্রমণ ও জীবননাশের ব্রত নিয়ে তারা বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া দাপটে দেশের সাধারণ মানুষ গভীর উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পেতে সাধারণ মানুষ কোথাও আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছে না। আইন, প্রশাসন মানুষকে রক্ষা করতে পারছে না। জনগণ নিজ দেশে পরবাসী হয়ে দিন যাপন করছে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ে মহানগর বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সভা থেকে দল শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পূর্ণাঙ্গ ইউনিট ও ওয়ার্ড কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া ৫ থানা বিএনপি’র আহবায়ক ও সদস্য সচিব, ওয়ার্ড কমিটির আহবায়কদের এবং ৩৪টি ইউনিট কমিটির সাথে সভার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।
নগর বিএনপি’র সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা করেন নগর বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক স ম আব্দুর রহমান, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, এড. নুরুল হাসান রুবা, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, মাহাবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, শেখ জাহিদুল ইসলাম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, মুরশিদ কামাল, কেএম হুমায়ন কবির, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী মিজানুর রহমান, জহর মীর, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, এড. মোহাম্মাদ আলী বাবু, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আফসার উদ্দিন মাস্টার, মোলা ফরিদ আহমেদ, আনসার আলী, নাসির খান, আলমগীর হোসেন, আব্দুর রহমান ডিনো, জাহিদুল হোসেন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, ফারুক হোসেন ও আজিজা খানম এলিজা প্রমুখ।
সভার শুরুতে বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে এবং কারাগারে বন্দী অবস্থায় নিহত ও মৃত্যুবরণকারী নেতা-কর্মীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।



