স্বামীর চেয়ে স্যার যখন বেশি আপন হয়, তখন বিষয়টা অস্বাভাবিক না? - জনবার্তা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বামীর চেয়ে স্যার যখন বেশি আপন হয়, তখন বিষয়টা অস্বাভাবিক না?

জনবার্তা প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩ ৩:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধরের ঘটনায় আলোচনায় আসা পুলিশের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এডিসি হারুন ও আরেক নারী পুলিশ কর্মকর্তা এডিসি সানজিদারকে নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে খোকন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সানজিদার তীব্র সমালোচনা করে একটি পোস্ট দেন।

সেখানে সানজিদাকে প্রশ্ন করে তিনি লিখেছেন, ‘আপনি অসুস্থ, আপনার হাজব্যান্ড জানে না, আপনার আরেক বিভাগের স্যার কীভাবে জানে? স্বামীর চেয়ে স্যার যখন বেশি আপন হয়, তখন বিষয়টা অস্বাভাবিক না?’

ফেসবুকে খোকন আরও লিখেছেন, ‘এডিসি হারুনকে এক সপ্তাহ আগেও আপনার হাজব্যান্ড অনুরোধ করেছিল তার সংসার না ভাঙার জন্য। এরপরও কেন তাকেই আপনার সাথে নিতে হলো। আর আপনার হাজব্যান্ড কেন তাকে অনুরোধ করেছিল?

চিকিৎসকের অ্যাপয়েনমেন্ট নিতে স্বামীকে না বলার সমালোচনা করে তিনি লিখেছেন, অ্যাপয়েন্টম্যান্টের জন্য আপনি তো আপনার হাজব্যান্ডকে বলতে পারতেন। কারণ আপনার হাজব্যান্ডের পদ-পদবি আরও বড়।

চিকিৎসার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপ প্রেস সচিব লেখেন, আপনার নিজের বড় বোনও ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তার, যেহেতু উল্টাপাল্টা পোশাকের বিষয় আপনিই বলেছেন, ইসিজি ইটিটি’তো আপনি ওনার ওখানেও করতে পারতেন। এছাড়া পুলিশ হাসপাতাল হচ্ছে দেশের অন্যতম ভালো একটা হাসপাতাল, আপনিতো সেখানেও যেতে পারতেন।

গত শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে তুলে নিয়ে শাহবাগ থানা হেফাজতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্যাতন করেন পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ।

ভুক্তভোগী দুজন হলেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম।

শনিবার রাতে নারী ঘটিত একটি ঘটনার জেরে শাহবাগ থানায় তাদের নির্যাতনের পর মারধর করা হয়। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার জেরে রাতে শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ভিড় করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও পুলিশের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে মধ্যরাতে ঘটনা মীমাংসা করেন।

ওই ঘটনায় তদন্ত কমিটি করেছে ডিএমপি। এরই মধ্যে এডিসি হারুনকে প্রথমে রমনা বিভাগ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) উত্তরে সংযুক্ত করা হয়। এরপর প্রজ্ঞাপন জারি করে তাকে কক্সবাজার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) বদলি করা হয়। সর্বশেষ সোমবার এই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ অধিদফতরে সংযুক্ত করা হয়।