বান্দরবানে সোনালী ব্যাংক ভল্ট ভেঙে টাকা লুট, ম্যানেজারকে অপহরণ : ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাই - জনবার্তা
ঢাকা, রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বান্দরবানে সোনালী ব্যাংক ভল্ট ভেঙে টাকা লুট, ম্যানেজারকে অপহরণ : ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাই

জনবার্তা প্রতিবেদন
এপ্রিল ৩, ২০২৪ ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সোনালী ব্যাংক থেকে দেড় থেকে ২ কোটি টাকা ও আনসার সদস্যদের ১৪টি অস্ত্র লুট করেছে। এছাড়া ব্যাংক ম্যানেজার মো. নেজাম উদ্দিনকে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টায় উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংকে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ৮টায় তারাবির নামাজ চলাকালে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ব্যাংকটির গ্রিল ভেঙে লকারে থাকা টাকা, নিরাপত্তায় ব্যবহার করা ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট করে ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বর্তমানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ব্যাংকটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।

রুমা উপজেলা চেয়ারম্যান উহ্লাচিং মারমা স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, রাত সাড়ে ৮টায় তারাবি নামাজের সময় শতাধিক কেএনএফ সদস্য চতুর্দিকে ঘেরাও করে সবার মোবাইল কেড়ে নিয়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যের অস্ত্র লুট করে সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার মো. নিজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনালী ব্যাংক বান্দরবান জেলা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার রাজন কান্তি দাশ বলেন, ঘটনা জানতে পেরেছি। ব্যাংকের ম্যানেজারের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করতে পারিনি। এখন বিস্তারিত কিছুই বলতে পারছি না।

রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. দিদারুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ব্যাংকটিতে হামলা চালিয়ে দুর্বৃত্তরা ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, ব্যাংক লুটের কথা তিনি জেনেছেন। তবে কত টাকা এবং কয়টি অস্ত্র লুট হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে পারেননি। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

বান্দরবান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মো. রায়হান কাজেমী বলেন, ব্যাংকের টাকা লুট, অস্ত্র ও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাব।

ডাকাতরা কত টাকা নিয়ে গেছে সেটার পরিমাণ সম্পর্কে দায়িত্বশীল কেউ কিছু জানাতে পারেননি। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, দেড় থেকে ২ কোটি টাকা নিয়ে গেছে ডাকাতরা।

এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা আতঙ্কে রয়েছেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করেছে।