সাতক্ষীরায় বিলুপ্ত প্রজাতির পাখিসহ ফাঁদ, জাল জব্দ - জনবার্তা
ঢাকা, রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাতক্ষীরায় বিলুপ্ত প্রজাতির পাখিসহ ফাঁদ, জাল জব্দ

জনবার্তা প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ২৩, ২০২৩ ৪:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় বিলুপ্ত প্রজাতির পাখি এবং পাখি ধরার লোহার ফাঁদ, নাইলনের জাল ও বেশ কয়েকটি শিকার করা পাখি জব্দ করেছে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের ইন্সপেক্টর নার্গিস সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে শুক্রবার সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দেবহাটা উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংলগ্ন দক্ষিণ কোমরপুর এবং কালীগঞ্জ উপজেলার ফুলতলা, রতনপুর ও বাগমারি বিলে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের ইন্সপেক্টর নার্গিস সুলতানা বলেন, ‘শীতের শুরু থেকে কালীগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যপ্রাণী পাচারকারী চক্রের সদস্যরা বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির পাখি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাচার করে আসছে। তারা পাখি শিকারে ব্যবহার করে লোহার ফাঁদ ও নাইলনের জাল।’

তিনি আরও বলেন, গোপনে এ সংবাদ পাওয়ার পর বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের শুরুতে দেবহাটার দক্ষিণ কোমরপুরের আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারকারী চক্রের সদস্য আমিরুল ইসলাম ওরফে মধু ডাক্তারের বাড়ি থেকে ৬টি বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির কালিম, একটি ময়না ও একটি হাঁস পাখি জব্দ করা হয়।’

পরে কালীগঞ্জ উপজেলার ফুলতলা মোড়ে হবিবুর রহমানের পাখি ঘর নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৬টি টিয়া পাখি জব্দ করা হয়। তাছাড়া রতনপুর বিল থেকে শতাধিক পাখি ধরার লোহার ফাঁদ ও কয়েকটি শিকারি পানকৌড়ি, গ্রেট ইগরেট ও ধুপনিবক এবং পার্শ্ববর্তী বাগমারি বিলের দশ বিঘা জমি থেকে অন্তত ৮’শ ফিট পাখি ধরার নাইলনের জাল জব্দ করা হয়।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে উদ্ধারকৃত পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়।

দেশের প্রচলিত আইনানুযায়ী বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের পাশাপাশি চোরাশিকারি ও বন্যপ্রাণী পাচারকারীদের দমনে সাতক্ষীরাসহ আশপাশের এলাকায় আগামীতেও এ অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানান ইন্সপেক্টর নার্গিস সুলতানা।