বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে চলমান ফেরি থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধ ফজলুল হকের (৭০) ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ভোরে ফেরির পল্টুনের পাশ দিয়ে ভাসমান অবস্থায় এই মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা। পরে নিহতের মরদেহ মোড়েলগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে ফায়ার সার্ভিস। আইনগত প্রক্রিয়া শেষ পুলিশ নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছেন।
এর আগে শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে মোরেলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর ফেরি পারাপারের সময় ওই বৃদ্ধ নদীতে পড়ে ডুবে যান।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন মোরেলগঞ্জের ওয়ার হাউজ ইনস্ট্রাক্টর প্রবীর দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ফজলুল হক পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চর খোলপটুয়া গ্রামের জেন্নাত আলী শেখের ছেলে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন মোরেলগঞ্জের ওয়ার হাউজ ইনস্ট্রাক্টর প্রবীর দেবনাথ বলেন, ঘটনার পরপরই নিখোঁজ ফজলুল হককে উদ্ধারে অভিযান শুরু করি। নদীর গভীরতা ও স্রোতের কারণে আমরা ওই বৃদ্ধের মরদেহ খুঁজে পাইনি। পরে ভাসমান অবস্থায় আমরা তার মরদেহ উদ্ধার করেছি।
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসউদ্দিন বলেন, নদীতে পরে বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আমরা নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।



