৭৩৯টি ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে ফিরল : হাইকোর্টের রায় - জনবার্তা
ঢাকা, বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৭৩৯টি ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে ফিরল : হাইকোর্টের রায়

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ২৫, ২০২৫ ৫:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

‘ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২’ এর ১১ ধারায় সরকারকে ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণের যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, তা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। ১৯৯৩ সালে সরকার ৭৩৯টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করে গেজেট জারি করেছিল। পরে ১৯৯৪ সালে আরেকটি সার্কুলারে সরকার সেই ক্ষমতা সীমিত করে।

এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি শেষে সোমবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। এ রায়ের ফলে দেশের অধিকাংশ ওষুধের দাম নির্ধারণের এখতিয়ার উৎপাদনকারীদের পরিবর্তে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে ফিরল।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) এই রিট দায়ের করেছিল।

রায়ে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ডিজি ড্রাগ, ওষুধ মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

রিটকারীর আইনজীবী মনজিল মোরসেদ পরে সাংবাদিকদের জানান, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২ এর ১১ ধারায় সরকারকে ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। এর ভিত্তিতে ১৯৯৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৭৩৯টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে। কিন্তু ১৯৯৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি একটি সার্কুলারের মাধ্যমে সেই ক্ষমতা সীমিত করে মাত্র ১১৭টি ওষুধের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে রাখা হয়। বাকি সব ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা দেওয়া হয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে। এই সার্কুলারকে চ্যালেঞ্জ করে এইচআরপিবি ২০১৮ সালে জনস্বার্থে একটি রিট দায়ের করে। তখন কেন ওই সার্কুলারকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ (২৫ আগস্ট) রায় ঘোষণা করা হলো।