সাবেক সচিবের বাসায় মিলল ৩ কোটি টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা - জনবার্তা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাবেক সচিবের বাসায় মিলল ৩ কোটি টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ১৬, ২০২৪ ১১:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের র্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামালের বাসা থেকে নগদ তিন কোটি টাকা এবং বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে সাবেক ওই সচিবের বাসায় অভিযান চালিয়ে এসব টাকা ও বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের এফ ব্লকের ২৯/২ এবং ৩ নম্বর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুরের দুটি বাসার মধ্যে একটি ৬ তলা। বাসার দ্বিতীয় তলায় একজন সচিব থাকেন পরিবার নিয়ে। পরে স্থানীয়রা জানতে পারেন— বাসাটিতে বিপুল পরিমাণ টাকা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এরপর স্থানীয় জনতা ঐ ভবনটি ঘিরে ফেলে।

এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের খবর দেন। পরে পুলিশের একাধিক টিম গিয়ে অভিযান পরিচালনা করে দেশি-বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করে।

ডিএমপি জানায়, অভিযান চালিয়ে বাবর রোডের এফ ব্লকের ২৯/২ ও ৩ নম্বর বাড়ি থেকে এসব টাকা ও বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়। ওই বাসা থেকে নগদ তিন কোটি এক লাখ ১০ হাজার ১৬৬ টাকা, ৭৪ হাজার ৪০০ টাকা দামের ১০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং ১০ লাখ তিন হাজার ৩০৬ টাকা মূল্যমানের বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএমপি আরও জানায়, এসব বিদেশি মুদ্রার মধ্যে তিন হাজার মার্কিন ডলার, এক হাজার ৩২০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, দুই হাজার ৯৬৯ সৌদি রিয়াল, চার হাজার ১২২ সিঙ্গাপুরিয়ান ডলার, এক হাজার ৯১৫ অস্ট্রেলিয়ান ডলার, ৩৫ হাজার কোরিয়ান ইউয়ান এবং ১৯৯ চীনা ইউয়ান মুদ্রা রয়েছে।

শাহ কামাল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকাকালে তার বিরুদ্ধে বদলি, কেনাকাটা ও উন্নয়ন কাজসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অবৈধ অর্থগ্রহণের অভিযোগ ছিল। ২০২০ সালের ২৯ জুন সরকারি চাকরি থেকে শাহ কামালকে অবসর দেওয়া হয়।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান শাহ কামাল। ধারণা করা হচ্ছে, অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ তিনি বাসায় রেখেছিলেন। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।