শিল্প কলকারখানায় গ্যাস সরবরাহ বাড়বে আজ থেকেই: জ্বালানি উপদেষ্টা - জনবার্তা
ঢাকা, শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিল্প কলকারখানায় গ্যাস সরবরাহ বাড়বে আজ থেকেই: জ্বালানি উপদেষ্টা

জনবার্তা প্রতিবেদন
মে ৩১, ২০২৫ ১:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের শিল্প কলকারখানাগুলোতে আজ (শনিবার) থেকেই গ্যাস সরবরাহ বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। গ্যাস সংকট মোকাবেলায় আরও চারটি এলএনজি কার্গো আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আজ শনিবার (৩১ মে) সকালে আশুলিয়ায় বিভিন্ন শিল্প কারখানার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা জানান জ্বালানি উপদেষ্টা।

উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা আরও দু’একদিন আগেই হতো, কিন্তু সমুদ্র উত্তাল থাকায় জাহাজ থেকে গ্যাস নামানো সম্ভব হয়নি। আজ থেকেই গ্যাস সরবরাহ বাড়বে। ইতোমধ্যে ৫০ এমএমসিএফডি সরবরাহ বেড়েছে, আরও এক থেকে দেড়শ এমএমসিএফডি বাড়বে।’

এদিকে সকালে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কার্যালয় পরিদর্শন শেষে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামীকালই একটি সভা হবে। পল্লী বিদ্যুৎ ও আরইবির সম্পর্ক কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হবে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি আগামীকাল চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। ওই প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং এগুলো দ্রুত সমাধান করা হবে। এটা নিয়ে মিছিল-মিটিং করে কোনো লাভ নেই। এগুলো করলে শুধু ক্ষতিই হয়। আগেও প্রায় ২৬-২৭টি স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এটি ছিল নাশকতামূলক কাজ। সে কারণে সরকারকে বাধ্য হয়ে কিছু ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।’

আজকের পরিদর্শন কার্যক্রম প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, ‘মূলত শিল্প কারখানাগুলোর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখার জন্যই আমরা এসেছি। প্রথমে আমরা বেপজায় (বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ) যাব, সেখানকার পরিস্থিতি দেখব। এরপর চন্দ্রা, মির্জাপুর, কালিয়াকৈর, ভালুকা ও টঙ্গী এলাকার শিল্প কারখানাগুলোর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব।’

এ সময় উপদেষ্টা ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাশাপাশি ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ডিইপিজেড)–ও পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা ও অন্যান্য দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।