বছরে ডাক বিভাগের লোকসান ৭০০ কোটি, জমি-গাড়ি যেতে পারে বেসরকারি খাতে - জনবার্তা
ঢাকা, শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বছরে ডাক বিভাগের লোকসান ৭০০ কোটি, জমি-গাড়ি যেতে পারে বেসরকারি খাতে

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুন ৪, ২০২৪ ৪:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রতিবছর ৭০০ কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে আয়োজিত ‘ডাক বিভাগের ই-কমার্স সেবা সম্প্রসারণ ও চিলার চেম্বার ফাংশনাল করা এবং ক্রস বর্ডার ই-কমার্সসংক্রান্ত মতবিনিময় সভায়’ এ কথা জানান তিনি।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এক ঘণ্টার মধ্যে অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকা গাড়ির হিসাব দেখাতে বলেন। লোকসান কমাতে ডাক বিভাগের মালিকানায় থাকা গাড়ি ও জমি বেসরকারি খাতে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডাক বিভাগের মোট ৪৬২টি গাড়ি আছে। এর মধ্যে ১৩৫টি অচল। এসব গাড়ি সাত দিনের মধ্যে ঠিক করে কাজে লাগাতে না পারলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে। ডাক বিভাগের জমিগুলোও আমরা প্রয়োজনে বেসরকারি খাতে দেব। তারা লভ্যাংশের অংশ আমাদের পরিশোধ করবে।’

মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় ডাক বিভাগের কোটি কোটি টাকার সার্ভিস ডেলিভারি গাড়ি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। কাজে লাগানো যায়নি স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্ট, এমনকি সারা দেশে থাকা ডাক বিভাগের মূল্যবান জমিও। এই পরিস্থিতিতে ডাক বিভাগকে বাঁচাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বসে বসে বেতন নেবেন তা হবে না। ৩০ জুনের মধ্যে ঠিক হয়ে যান। নয়তো ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷’

প্রতিমন্ত্রী জানান, সব গাড়ি ও সার্ভিস পয়েন্ট ছাড়াও প্রয়োজনে ডাক বিভাগের সব জায়গাও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে লিজ দেওয়া হবে। চলতি জুনের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি হবে।

মতবিনিময় সভায় ডাক বিভাগ, ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ লজিস্টিকস খাতসংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট মানুষের বাড়ি বাড়ি ডেলিভারির ব্যবস্থা করা হবে। এ বিষয়ে আমি পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলব। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকেও এ বিষয়ে বলব।