নিজ এলাকায় চিকিৎসা নিতে এমপিদের অনুরোধ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর - জনবার্তা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নিজ এলাকায় চিকিৎসা নিতে এমপিদের অনুরোধ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুলাই ৬, ২০২৪ ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিদেশ নয়, নিজ এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের অনুরোধ জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। শনিবার (৬ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে ডাক্তারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ অনুরোধ জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে যে অবস্থা দেখলাম তা সত্যিই দুঃখজনক। এতো রোগীর চাপ এখানে। এখানকার যত সমস্যা আছে, কীভাবে সমাধান করা যায়, প্রায়োরিটি হিসেবে চেষ্টা করব। কক্সবাজার, রাঙামাটি, নোয়াখালীর মেডিকেল কলেজগুলোকে স্বাবলম্বী করতে হবে। সমস্ত ডিপার্টমেন্টকে স্বাবলম্বী করা গেলে চট্টগ্রাম মেডিকেলের ওপর রোগীর চাপ অনেকাংশে কমে আসবে। কক্সবাজার থেকে যাতে রোগী না আসে সে ব্যবস্থা করতে হবে। প্রত্যেক জায়গায় মেডিকেল কলেজ করা হয়েছে। তারপরও রোগীরা কেন ঢাকা মেডিকেল, চট্টগ্রাম মেডিকেলে আসতে চায়। মানুষের আস্থা নাই বলেই তো চলে আসে।

সামন্ত লাল সেন বলেন, রাঙামাটি মেডিকেলের স্থানীয় সংসদ সদস্য যদি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতেন, ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলতেন তাহলে মানুষের আস্থা ফিরে আসত। মাননীয় সংসদ সদস্যদের আমি সবসময় অনুরোধ করি, আপনারা কি আপনাদের হাসপাতালগুলোতে যান? আপনারা কোনো দিন গিয়ে দেখেছেন হাসপাতালগুলোর কী অবস্থা? চিকিৎসা নিয়েছেন? হাসপাতালগুলোতে ব্লাড প্রেসার, নিজেদের চিকিৎসা করালে হাসপাতালগুলোর তো মান অনেক বাড়ে। এটা তো সত্যি। ওনারা যদি আস্থা প্রকাশ করতেন, তাহলে সাধারণ মানুষও যেত। মানুষ বিদেশ যেত না। ওনারা তো চলে যান বিদেশ। প্রধানমন্ত্রী বিদেশ যান না। তিনি দেশেই চিকিৎসা করান। সবাইকে এ বিষয়টি দেখতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আক্তার, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইফতেখার আহমদ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরীসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।