খুলনা কলেজিয়েট গার্লস্ স্কুল ও কেসিসি উইমেন্স কলেজের আর্ট শিক্ষক প্রদ্যুৎ ভট্টর বিরুদ্ধে ৭ম শ্রেণির একজন ছাত্রীকে বাথরুমে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন এবং শিক্ষক প্রদ্যুৎ ভট্টকে শোকজ করা হয়েছে। ঘটনাটি ক্যাম্পাসে জানাজানি হলে কোমলমতি ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্র“য়ারি স্কুল চলাকালীন ছাত্রী বাথরুমের একটি কক্ষে ৭ম শ্রেণিতে পড়–য়া একজনকে নিয়ে ঢোকেন আর্ট টিচার প্রদ্যুৎ ভট্ট। এমনি দৃশ্য দেখে ৯ম শ্রেণির দু’জন ছাত্রী বিষয়টি একাধিক শিক্ষককে জানানোর পর অধ্যক্ষকে অবহিত করেন। এঘটনার পরদিন ২৯ ফেব্র“য়ারি এঘটনায় নির্যাতিত ছাত্রীর মা অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
খুলনা কলেজিয়েট গার্লস্ স্কুল ও কেসিসি উইমেন্স কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ তৌহিদুজ্জামান অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘গত ২৯ ফেব্র“য়ারি ওই ছাত্রীর মা লিখিত অভিযোগ করেন। ঘটনার দিন ২৮ ফেব্র“য়ারি রাতে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে পাঁচদিনের ছুটি নেন শিক্ষক প্রদ্যুৎ ভট্ট। এঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি এবং সাথে অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শাও নোটিশ দিয়েছি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরমধ্যে গতকাল মঙ্গলবার ওই ছাত্রীর মা এসে মৌখিকভাবে অভিযোগ প্রত্যাহারের কথা জানান; আমি তাকে লিখিতভাবে অভিযোগ প্রত্যাহারের কথা বললে তিনি চলে গেছেন।’ তাই তদন্তাধীন বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। এ বিষয়ে জানতে আর্ট শিক্ষক প্রদ্যুৎ ভট্ট’র ব্যবহার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।



