সাত দিনের রিমান্ডে কনস্টেবল কাওছার আলী - জনবার্তা
ঢাকা, শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাত দিনের রিমান্ডে কনস্টেবল কাওছার আলী

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুন ৯, ২০২৪ ৪:২৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানীর বারিধারায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে পুলিশ কনস্টেবল মনিরুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার কনস্টেবল কাওছার আলীকে সাত দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহাম্মদ এ আদেশ দেন। এর আগে দুপুরে কাওছারকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জানা গেছে, রবিবার সকালে নিহত কনস্টেবলের বড় ভাই মাহাবুবুর হক বাদী হয়ে ঘাতক কনস্টেবল কাওছার আহমেদকে আসামি করে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় কাওছারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বারিধারায় এক পুলিশ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেন পুলিশ কনস্টেবল কাওছার আলী। নিহত পুলিশ সদস্য হলেন ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি ডিভিশনে কর্মরত মনিরুল ইসলাম।

এ ব্যাপারে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপ্স) ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেছেন, আমার কাছে মনে হয়েছে, অভিযুক্ত কনস্টেবল কাওছার আলী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। গুলি করেই তিনি হতভম্ব। এই কারণে বারবার বলছিলেন, ‘এটা কীভাবে হয়ে গেলো। আমি জানি না।’

‘অর্থাৎ নিজের সহকর্মীকে এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর পর মাসনিকভাবে নার্ভাস ছিলেন। যে কারণে ঘটনার পরও অস্ত্র রেখে কনস্টেবল কাওছার সেখানে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। কারণ তিনি স্ট্রেসটা নিতে পারছিলেন না। ঘটনার পর বুঝতে পারছিলেন হয়ত কত বড় অন্যায় ও অমানবিক কাজ করে ফেলেছেন। হয়ত এক-দুদিন গেলে বোঝা যাবে গুলি করার কারণ।’