এটি এমন একটি সময় যখন পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়রা বাড়িতে সজ্জিত রঙিন আলো ও ক্রিসমাস ট্রি দিয়ে দিনটি উদযাপন করতে একত্রিত হয়।
গির্জাগুলোতে প্রার্থনার আগে ও পরে বড়দিনের বিশেষ স্তুতি গান গাওয়া হয়।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বড়দিন উদযাপনের সময় জরুরি ও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় অন্যান্য সংস্থার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব ইতোমধ্যেই সারা দেশে মোতায়েন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘বড়দিন খ্রিস্টান সম্প্রদায়সহ সবার জন্য অফুরন্ত আনন্দ ও কল্যাণ বয়ে আনুক। সকলের জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।’
প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়সহ সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং একটি সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক ও শান্তিপূর্ণ জাতি গঠনে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
এ উপলক্ষে আজ রোববার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি এক অভ্যর্থনার আয়োজন করবেন।
বাংলাদেশের আর্চবিশপ, রাষ্ট্রদূত, বিদেশি মিশনের প্রতিনিধি, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় নেতা ও পেশাজীবীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
পরে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অতিথিদের সঙ্গে এক চা পার্টিতে যোগ দেবেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলো দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।