অনির্দিষ্টকালের জন্য ঢাবি বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ - জনবার্তা
ঢাকা, বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অনির্দিষ্টকালের জন্য ঢাবি বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুলাই ১৭, ২০২৪ ২:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপাচার্য এএসএম মাকসুদ কামালের কার্যালয়ে এ জরুরি সভা শুরু হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গতকাল সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এর মধ্যে তিন জেলা সংঘর্ষে প্রাণ হারান ছয়জন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সহিংস রূপ নেওয়ায় গতকাল দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশনা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে বলে বলা হয়।

ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় দেশের সকল পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য কলেজসহ সকল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়ে নিরাপদ আবাসস্থলে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেয়। ঢাবি বন্ধ হবে কি না এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ফোরাম সিন্ডিকেটের জরুরি সভা হয়। প্রথম দফায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। পরে উপাচার্যের বাসভবনে সিন্ডিকেটের দ্বিতীয় দফা বৈঠক হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।