অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ, কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বিএনপির মহাসমাবেশে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের হামলা, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার এবং জামায়াত ঘোষিত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে পুলিশের বাঁধাদান ও মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রোববার ২৯ অক্টোবর সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী মিছিল ও পিকেটিং করেছে। সকাল থেকে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রিশিবিরের নেতৃবৃন্দ নগরীর বিভিন্ন স্থানে খন্ড খন্ড মিছিল ও টায়ারে আগুন জ¦ালিয়ে পিকেটিং কর্মসূচি পালন করে।
মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অন্যান্যদের মধ্যে খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আমিরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর খুলনা সদর থানা আমীর মাওলানা আবু তারিন, হরিণটানা থানা আমীর আব্দুল গফুর, ছাত্রশিবির খুলনা মহানগরীর দপ্তর সম্পাদক সাহাল বিন মতিন, সাহিত্য সম্পাদক মুহা. আবু রাহাত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘রাজধানী ঢাকার শাপলা চত্বরে জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ বানচাল করার হীন উদ্দেশ্যে সরকার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩ শতাধিক নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে। মিটিং-মিছিল করা যেকোনো রাজনৈতিক দলের সংবিধানস্বীকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার। জামায়াতের মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের বাস, লঞ্চ ও ট্রেন থেকে নামিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতার সম্পূর্ণ বেআইনি, অগণতান্ত্রিক, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। নেতৃবৃন্দ সরকারের এই অন্যায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেইসাথে অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ, কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বিএনপির মহাসমাবেশে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের হামলা, আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার এবং জামায়াত ঘোষিত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে পুলিশের বাধাদান ও মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালনে খুলনাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
