হত্যা মামলায় ছয় ভাইসহ ১৪ জনের যাবজ্জীবন - জনবার্তা
ঢাকা, শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হত্যা মামলায় ছয় ভাইসহ ১৪ জনের যাবজ্জীবন

জনবার্তা প্রতিবেদন
নভেম্বর ৯, ২০২৩ ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে হত্যা মামলায় ছয় ভাইসহ ১৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেকর ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র বিচারক নূর ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জয়পুরহাটের উপজেলার হরেন্দ্রা গ্রামের মৃত বিরাজ উদ্দিন মন্ডলের ছেলে আব্দুল মান্নান, ছানোয়ার হোসেন, সাহাজ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, রিয়াজ উদ্দিন, খয়বর আলীর ছেলে রমজান আলী, আব্দুল ওহাব, সামছুদ্দিনের ছেলে, ফারুক হোসেন, মৃত হাতেম আলীর ছেলে দুলো, আব্দুল খালেক, মৃত অফির উদ্দিনের ছেলে শাহজাহান, মৃত মজিবর রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলাম, আব্দুল খালেকের ছেলে আনিছুর রহমান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালের ৫ মে পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দ্রা গ্রামে ভোলাসহ তারা চার ভাই মিলে পাওয়ার টিলার নিয়ে বাড়ি থেকে দূরে মাঠের মধ্যে জমি চাষ করতে যান। এরপর রাত দেড়টার দিকে জমির পাশে চার ভাই শ্যালো মেশিনের পাশে বিছানা করে শুয়ে পড়েন। হঠাৎ জমিতে কাদার মধ্যে হাঁটার শব্দ পান। এ সময় তারা তাদের কাছে থাকা টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দেখতে পান, মুখ চেনা কয়েকজন ব্যক্তি পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। একপর্যায়ে ভোলাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন।

অন্য ভাইয়েরা চিৎকার দিলে তাদের কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ভোলাকে উদ্ধার করে রাতেই প্রথমে পাঁচবিবির মহীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই দোলা মন্ডল বাদী হয়ে ৬ নভেম্বর পাঁচবিবি থানায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। পরে তৎকালীন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুস সাত্তার ২০০৪ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে ৯ সাক্ষীর সাক্ষ্যতে বিচারক এ রায় দেন।

বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল ও আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম।