স্যামুয়েলসের দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে ইসিবি - জনবার্তা
ঢাকা, বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্যামুয়েলসের দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে ইসিবি

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ১৭, ২০২৩ ১:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দুর্নীতিবিরোধী চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী তারকা মারলন স্যামুয়েলস। উইন্ডিজের সাবেক এই ক্রিকেটার ২০১৯ সালে আবুধাবি টি-টেন লিগে খেলার সময় অপরিচিতদের কাছ থেকে অর্থ উপহার ও অন্যান্য সুবিধা নিয়েছিলেন। এর প্রেক্ষিতে ২০২১ সালে স্যামুয়লসের বিপক্ষে অভিযোগ গঠন করে আইসিসি। এতদিনে স্বতন্ত্র ট্রাইব্যুনালে শুনানির পর এই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

বলা হচ্ছে, আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.৪.২, ২.৪.৩, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ নম্বর ধারা ভেঙেছেন স্যামুয়েলস। এ ধারায় বলা আছে, কোনো রকমের উপহার, অর্থ, আতিথেয়তা বা অন্য সুবিধা নেওয়ার তথ্য স্বীকৃত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাকে না জানানোর মাধ্যমে ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা। বাকি তিনটি ধারায় অবশ্য স্যামুয়েলসকে ট্রাইব্যুনালের সব সদস্যই দোষী মনে করেছেন। এর মধ্যে আছে ৭৫০ বা এর বেশি ইউএস ডলার পাওয়ার তথ্য গোপন করা, তদন্তে স্বীকৃত কর্মকর্তাকে সহযোগিতায় ব্যর্থতা ও তথ্য গোপন করে স্বীকৃত কর্মকর্তার তদন্ত কার্যক্রম বিলম্বিত করা।

৪২ বছর বয়সী স্যামুয়েলসের বিপক্ষে যে চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছিল, দুর্নীতিবিরোধী স্বতন্ত্র একটি ট্রাইব্যুনালে শুনানির পর সব কটিই প্রমাণিত হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে নিজের অধিকার স্যামুয়েলস প্রয়োগ করেছেন বলেও জানিয়েছে আইসিসি। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে স্যামুয়েলসকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হবে। ফলে দ্বিতীয়বারের মতো দুর্নীতির দায়ে শাস্তি পেতে যাচ্ছেন স্যামুয়েলস।

২০০০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন স্যামুয়েলস। ২০২০ সালের নভেম্বরে পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নেন তিনি। দেশের হয়ে খেলেছেন ৭১ টেস্ট, ২০৭ ওয়ানডে ও ৬৭ টি-টোয়েন্টি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৭ সেঞ্চুরিতে রান করেছেন ১১ হাজারের বেশি।