রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি, বললেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী - জনবার্তা
ঢাকা, সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি, বললেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী

জনবার্তা প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫ ১২:১৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নিয়ম ভেঙে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে ঢোকার অভিযোগ প্রসঙ্গে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি।’

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ভোটকেন্দ্রের সামনে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, প্রার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোনো কার্ড করেনি। সে কারণে তাকে মেয়েদের হলের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

আবিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘ভোটটা উদযাপন করতে চাই। অভিযোগ করতে চাই না।’

উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হওয়া ডাকসু নির্বাচনের শুরু থেকেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে। নিয়ম ভেঙে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে ঢুকে পড়েন তিনি। এই কেন্দ্রে জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন।

কেন্দ্রের বাইরে আবিদের কর্মী সমর্থকদের ভোট প্রার্থনা ও প্রচারপত্র বিলি করতেও দেখা যায়। এসময় উপস্থিত কয়েকজন নারী ভোটার এর প্রতিবাদ জানায় এবং বিরক্তি প্রকাশ করেন। তবে আবিদুল ও তার সমর্থকরা সাংবাদিকদের কাছে দাবি কলেন, তারা ভোট চাইছেন না, প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর সম্বলিত প্রচারপত্র বিলি করছেন। তাদের দাবি, এত প্রার্থীর ব্যালট নম্বর মনে থাকবে কী করে, তাই শিক্ষার্থীদের এই লিফলেট দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে, কোনো প্রার্থী কেন্দ্রে ঢুকে ভোট প্রার্থনা করতে পারবেন না। এমনকি ভোট কেন্দ্রর ১০০ মিটারের মধ্যে কোনো ভোটার স্লিপও বিতরণ করতে পারবে না।

জানা গেছে, ভোটকেন্দ্রের কাছেই বুথ স্থাপন এবং টেবিল পেতে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করিনি। আমাদের হেল্প ডেস্ক কেন্দ্র থেকে অন্তত ১৫০ মিটার দূরে।’