মায়ার্সের পর তামিমের ফিফটিতে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত বরিশালের - জনবার্তা
NA 1
ঢাকা, সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মায়ার্সের পর তামিমের ফিফটিতে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত বরিশালের

জনবার্তা প্রতিবেদন
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪ ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্লে অফ পর্বের প্রথম ম্যাচে আজ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ফরচুন বরিশাল। এলিমিনেটর ম্যাচের এই খেলায় টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বরিশাল বোলারদের বোলিং তোপে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বন্দরনগরীর দলটি, জশ ব্রাউনের ৩৪ রানের ইনিংসের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান করে শুভাগত হোমের দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবাল এবং কাইল মায়ার্সের জোড়া ফিফটির সুবাদে ৩১ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে বরিশাল।

চট্টগ্রামের দেয়া ১৩৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আজ শুরুটা ভালো হয়নি বরিশালের। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসবন্দী হন সৌম্য সরকার, সাজঘরে ফিরেন ০ রান্যেই। এরপর ক্রিজে তামিমের সঙ্গী হন কাইল মায়ার্স।

শুরুতেই এক উইকেট হারালেও তামিম-মায়ার্স জুটিতে দশ ওভার শেষ না হতেই আজ জয়ের ভিত পেয়ে যায় বরিশাল। এ দুজন মিলে আজ চড়াও হয়েছিলেন বন্দরনগরীর দলটির বোলারদের উপর। দুজন মিলে সমানতালে ঘুরিয়েছেন রানের চাকা। ৫ ছয় আর ৩ চারে ২৫ বলেই অর্ধশতক পূর্ন করেন মায়ার্স।

তবে ফিফটি তুলে নিয়ে পরের বলেই আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন মায়ার্স। এদিকে মায়ার্স ফিরলেও ব্যাট আজ দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তামিম। দলকে জেতাতে খেলেছেন ৪৩ বলে ৫২ রানের অপরাজিত ইনিংস। মায়ার্স-তামিমের জোড়া ফিফটির সুবাদেই ৩১ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের দারুণ জয় পেয়েছে বরিশাল। এই জয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করেছে বরিশাল।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে আজ শুরুটা ভালো হয়নি চট্টগ্রামের। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই বিদায় নিয়েছেন বন্দরনগরীর দলটির ওপেনার তানজিদ তামিম। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বলে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসবন্দী হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি।

এদিকে তানজিদ ফিরলেও আরেক ওপেনার জশ ব্রাউন শুরুর দিকে রানের চাকা ঘুরিয়েছেন। ব্যাট হাতে বরিশাল বোলারদের উপর চড়াও হতে শুরু করেছিলেন তিনি। তবে দলীয় ৩১ রানে ফের উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। এবার ম্যাককয়ের বলে মায়ার্সের মুঠোবন্দী হয়ে সাজঘরে ফিরেন ইমরানুজ্জামান।

এরপর ক্রিজে ব্রাউনের সঙ্গী হন টম ব্রুস। মাঠে নেমেই এক ছয় এবং এক চারে হাত খুলে খেলার আভাস দিয়েছিলেন ব্রুস। এ দুজন মিলে গড়েছিলেন ১২ বলে ২১ রানের জুটি। তবে ২২ বলে ৩ ছয় আর ২ চারে ৩৪ রান করে দলীয় ৫২ রানে ব্রাউন ফিরলে ভাঙে এ জুটি।

এদিকে ব্রাউন ফেরার পর ব্রুসও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি, ব্যক্তিগত ১৭ রানে তিনি আউট হন মায়ার্সের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে। এরপর আর কেউই দলের হাল ধরতে পারেননি। অধিনায়ক শুভাগত হোম ১৬ বলে ৪ চারে ২৪ রান করে দলীয় ১১০ রানে ফেরার পর শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম। বরিশালের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মায়ার্স, সাইফুদ্দিন এবং ম্যাককয়।