বিমানের ইঞ্জিন-প্রপেলার আমদানির মূসক প্রত্যাহার - জনবার্তা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিমানের ইঞ্জিন-প্রপেলার আমদানির মূসক প্রত্যাহার

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুন ৬, ২০২৪ ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিমানের ইঞ্জিন-প্রপেলার আমদানি পর্যায়ে আরোপকৃত মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এত দিন বিমানের ইঞ্জিন ও প্রপেলার আমদানিতে ১৫ শতাংশ মূসক আদায় করা হতো। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সেটি প্রত্যাহার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ‘বর্তমান বাস্তবতায় বিভিন্ন কারণে দেশীয় বিমান পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো বিদেশি সংস্থাগুলোর তুলনায় প্রতিযোগিতায় ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। তাই অ্যাভিয়েশন খাতের উত্তরণকল্পে এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিবেচনায় এয়ারক্রাফট ইঞ্জিন ও প্রপেলারের ওপর আমদানি পর্যায়ে প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করছি।’

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য বাজেট প্রস্তাবনা আলোচনায় বিমানের ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ কেনার ক্ষেত্রে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করে অ্যাভিয়েশন খাত সংশ্লিষ্টদের সংগঠন অ্যাভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)।

এ বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি এনবিআরের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত প্রস্তাবও দেয় এওএবির সেক্রেটারি জেনারেল নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মফিজুর রহমান। সে সময় তারা উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ কেনা, ইঞ্জিন কেনা এবং ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ কেনায় তিন ধরনের কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় এওএবি জানায়, উড়োজাহাজ (হেলিকপ্টারসহ) এবং ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশের যন্ত্রাংশ অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং বিপুল বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে ক্রয় করতে হয়। ব্যয়বহুল যন্ত্রাংশের ওপর ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়করের সঙ্গে নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশের ওপর আরোপিত কর মিলিয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সার্বিক করহার ১০০ শতাংশ অতিক্রম করে। প্রায় ভঙ্গুর বাংলাদেশি অ্যাভিয়েশন খাতের টিকে থাকার জন্য কর হার সহনীয় নয়।