বাগেরহাটে মা ও শিশু মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা - জনবার্তা
ঢাকা, বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাটে মা ও শিশু মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ১২, ২০২৩ ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাগেরহাটের শরণখোলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এক মা ও তার শিশু সন্তানকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতরা হচ্ছেন- পাপিয়া আক্তার (৩৮) ও তার মেয়ে ছাওদা জেনি (৬)।

শুক্রবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তের হামলায় প্রাণ হারায় তারা।

জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের কোপে মা-মেয়ে দু’জনই গুরুতর আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় শিশু ছাওদা জেনিকে তার চাচা আবু তালেব টুকুর বাড়িতে নেওয়া হয় এবং সেখানেই সে মারা যায়।

অন্যদিকে পাপিয়া আক্তারকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পাপিয়ার পরিবারের দাবি, স্বামীর সাথে বিরোধ থাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

নিহত পাপিয়া আক্তার উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আবু জাফরের স্ত্রী এবং ধানসাগর এলাকার মো. আব্দুল হোসেন খকিফার মেয়ে। নিহত শিশু জেনি পাপিয়া-আবু জাফর দম্পতির মেয়ে। তাদের আরও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

স্থানীয় গ্রাম পুলিশ স্বপন কুমার বালী বলেন, হামলার খবর পেয়ে পাপিয়াকে তার ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এসময় বাড়ির কিছু দূরে পড়ে থাকা অবস্থায় মেয়ে জেনির লাশ উদ্ধার করে পুলিশকে জানানো হয়।

রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন মুক্তা জানান, তার ইউনিয়নের ১ নং উত্তর রাজাপুর ওয়ার্ডে মা-মেয়ের জোড়া হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। পারিবারিক কারণে এটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আশফাক জানান, পাপিয়াকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম পাওয়া গেছে।

এদিকে খবর পেয়ে মোরেলগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশিকুর রহমান ও শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরাম হোসেনসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরাম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।