চিকিৎসার জন্য ফখরুল-আব্বাস ব্যাংককে, মোশাররফ লন্ডনে - জনবার্তা
ঢাকা, সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চিকিৎসার জন্য ফখরুল-আব্বাস ব্যাংককে, মোশাররফ লন্ডনে

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ১৯, ২০২৫ ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চিকিৎসার জন্য বিএনপি মহাসচিবসহ তিন শীর্ষ নেতা বিদেশে গেলেন। চোখের অপারেশেনের ফলোআপের জন্য বর্তমানে ব্যাংককে আছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে স্ট্রোকজনিত সমস্যার চিকিৎসার ফলোআপের জন্য লন্ডনে আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এবার চোখের চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক গেলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি ব্যাংককের রুটনিন আই হসপিটালে চিকিৎসা নেবেন।

তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস ও ছেলে মির্জা ইয়াসীর আব্বাস।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তারা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন বলে জানিয়েছেন মির্জা আব্বাসের একান্ত সহকারী মিজানুর রহমান সোহেল।

সোহেল বলেন, ‘চোখের চিকিৎসা নিতে স্যার ব্যাংককে গেছেন। সেখানে রুটনিন আই হসপিটালে আজকেই চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে। দুই দিন পরই মির্জা আব্বাসের অস্ত্রোপচার হবে।

আরোগ্য কামনায় মির্জা আব্বাসের পরিবার দলের নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন বলে জানান সোহেল।

এর আগে গত ১৩ আগস্ট চোখের অপারেশন পরবর্তী ফলোআপের জন্য সস্ত্রীক থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওইদিন থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে ঢাকা ছাড়েন এই দম্পতি।

এর আগে গত ১৪ মে ব্যাংককের রুটনিন আই হাসপাতালে মির্জা ফখরুলের চোখের অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পরে চিকিৎসকের পরামর্শে বেশ কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল মির্জা ফখরুলকে।

আর ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন চিকিৎসার জন্য লন্ডন গেছেন গত ১৫ আগস্ট। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে স্ত্রী বিলকিস আখতার হোসেন ও ছোট ছেলে ব্যারিস্টার খন্দকার মারুফ হোসেনসহ লন্ডন যান তিনি।

২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারিতে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে খন্দকার মোশাররফের মস্তিস্কে সফল অস্ত্রোপচার হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি দেশে ফেরেন।

আওয়ামী লীগের আমলে ২০২৩ সালের ১৭ জুন রাজধানীতে বিএনপির এক পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শে সিঙ্গাপুরে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে দুই মাস ১০ দিন চিকিৎসার পর ঢাকায় ফিরেছিলেন। কিন্তু আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর তাকে ফের এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে পরে আবারও সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় ড. মোশাররফকে।