নগরীর খানজাহান আলী থানায় স্ত্রীর দায়েরকৃত মামলায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এস আই মোঃ সোয়াদ বিন মোবারককে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তিনি নগরীর খানজাহান আলী থানার শিরোমনি গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার খুলনা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ আদেশ দেন।
জানা গেছে, চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর খুলনার খানজাহান আলী থানার যোগিপোল এলাকার জাকিয়া সুলতানা আদালতে মামলা করেন (যার মিস কেস নং ১৩৬/২৩)। আদালতের নির্দেশে খানজাহান আলী থানায় গত ২ সেপ্টেম্বর মামলাটি রুজু হয়।
বাদী এজাহারে উলেখ করেন, ২০২২ সালের ১৬ মার্চ সোয়াদ বিন মোবারকের সাথে জাকিয়া সুলতানার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় জাকিয়া সুলতানার পিতা পরিবার সংসারের আসবাবপত্রসহ টিভি, ফ্রিজ, ইয়ামাহা মোটরসাইকেল দাবি করে যাহা তার পিতা বিয়ের সময় দিয়ে দেন। এছাড়া বিয়ের সময় ৬ ভরি স্বর্নের দাবি করলে সেটাও মেয়ের সুখের কথা ভেবে তার পিতা দেন। বিয়ের পর থেকে ১৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করতে থাকে। যৌতুকের টাকা না দেয়ায় জাকিয়া সুলতানাকে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। একপর্যায়ে ২ কিস্তিতে তাকে ১০ লাখ টাকা দেন বাদীর পিতা আসামিকে। কয়দিন ভালোভাবে চলতে থাকলে আসামী প্রাইভেটকার কেনার জন্য ২৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বাদীর ওপর নির্যাতন শুরু করে। একপর্যায়ে বের করে দেয় স্ত্রীকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহাবুর বলেন, সোয়াদ বিন মোবারক চুয়াডঙ্গা সদর থানাতে এস আই পদে কর্মরত ছিলেন কিন্তু তার স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় তিনি বর্তমানে পুলিশ লাইনে ক্লোজ। এছাড়া আদালতে গত ৯ নভেম্বর তাকে জেলহাজতে প্রেরনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে শুনেছি।
