বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘একাত্তর সালে যুদ্ধ করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। কী পেয়েছি ৫০ বছরে? এখন ৫০ বছর পর ভোটের অধিকারের জন্য জীবন দিতে হচ্ছে। এবার আর আগের মতো নির্বাচন হবে না। যেমন খুশি তেমন চুরি করে ভোট করতে দেওয়া হবে না।’ তিনি বলেন, ২০১৮ সালে গায়েবি মামলা দেওয়া হয় নির্বাচনের আগে। এখন আবার এ ধরনের মামলা দেওয়া শুরু করেছে। ২২ নভেম্বরের পর ১০৪টির মতো গায়েবি মামলা হয়েছে। সরকার ঢাকার মহাসমাবেশ ঘিরে ঘরে ঘরে অভিযান চালাচ্ছে।
‘হে গো বিশ্বাস নাই’, তাই কুমিল্লার সমাবেশে দুদিন আগেই তাঁরা

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে এই গণসমাবেশ হয়। এতে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন ও সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
জনস্রোত ঠেকাতে আ.লীগ বিভিন্ন ফন্দি করছে : কুমিল্লায় খন্দকার মোশাররফ
জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও দলের পাঁচ নেতাকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি বিভাগীয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে এ গণসমাবেশ করছে। এর আগে গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামে প্রথম গণসমাবেশ হয়। পরে ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, ফরিদপুর ও সিলেটে সমাবেশ হয়। আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহী ও ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ হবে।

