খুলনায় জামায়াতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ - জনবার্তা
ঢাকা, বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনায় জামায়াতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ২৩, ২০২৩ ১১:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকায় আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জানাজা করতে না দেয়া, দেশের বিভিন্ন স্থানে গায়েবি জানাজায় পুলিশি হামলা ও শহীদ ফুরকানকে হত্যার প্রতিবাদে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৩ আগস্ট বুধবার সকালে নগরীতে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এর সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কল্যাণ খুলনা মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, ছাত্রশিবিরের মহানগরী সভাপতি মো. তৌহিদুর রহমান, সেক্রেটারি মো. আমিরুল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ খুলনা মহানগরী সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, শ্রমিক নেতা আলি হায়দার নিরু প্রমুখ।

জানাজা নিয়ে পুলিশের ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি
কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে
এডভোকেট জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল

সভাপতির বক্তব্যে এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেন, জানাজা, গায়েবানা জানাজা, নামাজ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক ও ধর্মীয় অধিকার। এতে বাধা দেয়ার অধিকার কারো নেই এবং ইসলামের বিধান বাস্তবায়নের জন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই। পুলিশ কমিশনার গায়েবানা জানাজার অনুমতি দেয়া হবে না মর্মে যে ঘোষণা দেন, তা বাড়াবাড়ি ছাড়া আর কিছু নয়। পুলিশ এ বক্তব্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছে এবং পরোক্ষভাবে হট্টগোল তৈরি করার হুমকি দিয়েছে। তিনি বলেন, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মজলুম ও নির্যাতিত। তিনি সমগ্র বিশ্বে এক নন্দিত ব্যক্তি। সারা পৃথিবীতে তিনি মহাগ্রন্থ আল কুরআনের বাণী পৌঁছে দিয়ে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। বেশ কয়েকটি দেশ তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত ও সম্মানিত করেছে। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নিজ এলাকা থেকে পরপর দু’বার এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটিসহ জাতীয় সংসদের বেশ কয়েকটি সংসদীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি একাধিকবার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশের এমন কোনো জেলা নেই, যেখানে তিনি কুরআনের তাফসির করেননি। বহু উপজেলায়ও তিনি কুরআনের তাফসির করেছেন। তার তাফসির শুনে হাজার হাজার যুবক আল্লাহর পথে পরিচালত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের জীবনকে ইসলামের আলোয় আলোকিত করেছে। বহু অমুসলিম ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেছে। তিনি হাজার হাজার মানুষের জানাযার ইমামতি করেছেন। অথচ মৃত্যুর পর তার জানাজায় জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়। পুলিশের এ ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।