প্রশাসনের রদবদলে ‘অদৃশ্য পরিকল্পনা’—ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ জামায়াতের - জনবার্তা
ঢাকা, সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রশাসনের রদবদলে ‘অদৃশ্য পরিকল্পনা’—ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ জামায়াতের

জনবার্তা প্রতিবেদন
নভেম্বর ১৯, ২০২৫ ১:১৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে টানা রদবদলকে ‘অদৃশ্য পরিকল্পনার’ অংশ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আয়োজিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে বসে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সভাপতিত্বে অন্য চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি উপস্থিত আছেন।

তিনি বলেন, গত এক মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনে একের পর এক হঠাৎ রদবদল হয়েছে—২০ দিনও হয়নি, একজন ডিসি বদলি হয়েছেন, আবার এক সপ্তাহের মধ্যে আরও অনেককে সরানো হয়েছে। এতে মনে হয়, যেন কোনো পরিকল্পনা বা উদ্দেশ্য থেকে এসব হচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর প্রশাসনিক রদবদল ইসির এখতিয়ার—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরপেক্ষতার জন্য সেরা পদ্ধতি হলো লটারির মাধ্যমে পদায়ন; এতে কোনো প্রশ্ন ওঠে না।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই রদবদল কি কোনো পরিকল্পনার অংশ—কেউ করছেন, নাকি কেউ জানেনই না? তিনি বলেন, তফসিলের পর নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ইসিই আমাদের একমাত্র ভরসা। অতীতের কয়েকটি ইসিতে তফসিল ঘোষণার পর একদিনে, এক রাতে ডিসি–এসপি বদলির নজিরও রয়েছে—এ বিষয়ে ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই সনদ ও গণভোটের বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। ইসির আচরণবিধি ও প্রবাসী ভোটের উপস্থাপনাতেও বিষয়টি পরিষ্কার হয়নি। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ ও গেজেটে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ঘোষণা এসেছে, কিন্তু ভোটাররা কোন সংস্কারে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলবে—তা বুঝতে সময় লাগে। পূর্বের যুক্তির ভিত্তিতে জামায়াত মনে করে, গণভোট আগে হওয়া উচিত। একই দিনে দুই ভোট হলে সাধারণ ভোটার বিভ্রান্ত হবে।

প্রবাসী ভোট নিয়ে তিনি বলেন, এনআইডি জটিলতায় যারা নিবন্ধন করতে পারেন না, তাদের জন্য পাসপোর্টের ভিত্তিতে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুযোগ বিবেচনা করা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হবে। সন্ত্রাস, বাধা ও নাশকতা ঠেকাতে এবং ভোটারদের সাহসী করতে সেনাবাহিনী উপস্থিত আছে—এই বার্তাই যথেষ্ট। তাই প্রতিটি কেন্দ্রে সেনা সদস্য সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।