বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে নতুন ফ্যাসিবাদের জন্ম হতে পারে: মিয়া পরওয়ার - জনবার্তা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে নতুন ফ্যাসিবাদের জন্ম হতে পারে: মিয়া পরওয়ার

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ১৩, ২০২৫ ৫:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে নতুন ফ্যাসিবাদের জন্ম হতে পারে। প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া নির্বাচন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা হবে। তিনি নির্দলীয় সরকারের অধীনে ‘জুলাই সনদের’ আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে সেই আলোকে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আরাফাত আবাসিক এলাকায় উপজেলা জামায়াত আয়োজিত ভোটার সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সারা দেশে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে ভোট দিতে পারলে ইসলামী আদর্শের শক্তিকেই ক্ষমতায় আনবে।’

আগস্ট বিপ্লবকে অর্থবহ ও টেকসই করতে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, হরিণটানা থানা আমীর আব্দুল গফুর, ডুমুরিয়া উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতা।

এ সময় বিভিন্ন দল থেকে ২০-২৫ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। আসন্ন নির্বাচনে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দেশের মানুষ এখন ইসলামি দলগুলোকে নেতৃত্বের আসনে দেখতে চায়। কোনো ষড়যন্ত্রই জনতার বিজয় ঠেকাতে পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন ও আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠা ছাড়া নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার অর্থ হবে অন্তবর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম ব্যর্থ করা। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের সর্বস্তরে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার ওপরও তিনি জোর দেন।

এর আগে তিনি রায়ের মহল, পূর্ব বিলপাবলা ও খানজাহান থানা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পৃথক সমাবেশেও প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। সমাবেশে বক্তারা দুর্নীতি, বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।