কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধায় বন্ধ - জনবার্তা
ঢাকা, বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধায় বন্ধ

জনবার্তা প্রতিবেদন
জানুয়ারি ২১, ২০২৫ ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব উচনা ঘোনাপাড়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাধা তা বন্ধ হয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে সীমান্তের শূন্যরেখার মাত্র ২০ গজ ভেতরে এই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করা হয়।

আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন অনুযায়ী, শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের বাইরে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করতে হবে। তবে এই আইন লঙ্ঘন করে ভারতীয় বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এতে বাধা দেয় বিজিবি, ফলে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখে বিএসএফ। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে উপজেলার ধরঞ্জি ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া সীমান্তের ২৮১ মেইন পিলারের ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ সাব-পিলার পর্যন্ত শূন্যরেখা থেকে আনুমানিক ২০ গজ দূরে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণকাজ শুরু করেন বিএসএফ সদস্যরা। স্থানীয় বাংলাদেশিরা কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়টি জানতে পেরে বিজিবির হাটখোলা বিওপি ক্যাম্পকে জানান। এরপর বিজিবির সদস্যরা সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিএসএফ সদস্যদের বেড়া দেওয়া কাজে বাধা দেন। তখন বিএসএফের সদস্যরা কাজ স্থগিত করে চলে যান। এর পর থেকে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ঘন কুয়াশার ভেতরে ভোর থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ করছিল বিএসএফ। আমরা ঘটনাটি জানার পর বিজিবি ক্যাম্পকে জানাই। এর পর বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।

বিজিবির হাটখোলা বিওপির কোম্পানি কমান্ডার শাহ জাহান বলেন, বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ২০ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছিলেন। আমরা কাজ বন্ধ রাখতে বলেছি। এরপর তারা আর কাজ করেননি। আমরা আজ বিকেল তিনটায় পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছি।

জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ক্যাম্পের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাহিদ নেওয়াজ বলেন, বিএসএফ কাজ বন্ধ রেখেছে। এ বিষয়ে বিজিবি-বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক ডাকা হয়েছে। পতাকা বৈঠকে সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি।