নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি বিএনপির, ইতিবাচক প্রধান উপদেষ্টা - জনবার্তা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি বিএনপির, ইতিবাচক প্রধান উপদেষ্টা

জনবার্তা প্রতিবেদন
অক্টোবর ৫, ২০২৪ ৫:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। একইসঙ্গে তারা দ্রুত নির্বাচনের জন্য কমিশন গঠনের কথা বলেছেন। প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন হচ্ছে তাদের ‘এক নম্বর প্রায়োরটি’।

আজ শনিবার (৫ অক্টোবর) যমুনায় বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সাবেক সরকার এনআইডি কার্ড স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু, এটা আমরা সেই এনআইডি কার্ড অর্ডিন্যান্স বাতিলের জন্য বলেছি। এ ছাড়া সকল ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের দাবি জানিয়েছি।

২০২৪ সালে পক্ষপাতমূলক নির্বাচনের জন্য যারা দায়ী তাদের শাস্তির আত্ততায় আনার দাবি জানিয়েছি। নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে বিচারপতি খায়রুল হক, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আগামী ৮ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকারের দুমাস হবে। এখন পর্যন্ত গত সরকারের আমলে, অর্থাৎ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তাদের দোসর হিসেবে যারা কাজ করেছে, লুটপাট অনাচার অত্যাচারে নির্যাতন গুমখুনের ব্যাপারে গণহত্যার ব্যাপারে সহায়তা করেছে, তাদের বেশিরভাগই এখনও স্ব-স্ব পদে বহাল তবিয়তে আছে। অবিলম্বে তাদেরকে সরিয়ে নিরপেক্ষ কাউকে আনার কথা আমরা বলেছি। তিনি আরও বলেন, ৫৯ জেলা প্রশাসক কীভাবে নিয়োগ পেয়েছে এবং কীভাবে নিয়োগ হয়েছে তা জানতে চেয়েছি। একইসঙ্গে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের নিয়োগ বাতিল করে দিতে আমরা বলেছি।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের জন্য অনুরোধ করেছি। নিম্নআদালতে অতিদ্রুত পিপি, জিপি নিয়োগের কথা বলেছি। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যেও দুই একজন আছেন, যারা গণঅভ্যুত্থান বিপ্লবের যে মূল স্পিরিট ব্যাহত করছে, তাদের সরানোর কথা বলেছি। যারা গত ১৫ বছর ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির কথা বলেছি। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট কারণে গ্রেপ্তারদের জামিন দেওয়া হচ্ছে, তা খুবই উদ্বেগজনক। অনেকে ফ্যাসিস্ট মন্ত্রী, এমপিরা পালিয়ে যাচ্ছেন, তারা কীভাবে পালিয়ে যাচ্ছেন তা আমরা প্রশ্ন রেখেছি।

বিচারবিভাগের বিষয়ে খু্ব স্পষ্ট করে বলেছি, বিচার বিভাগের যে হাইকোর্ট বিভাগ, যেখানে এখন পর্যন্ত খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। অথচ সেখানের বেশিরভাগ নিয়োগই ছিল দলীয় ভিত্তিতে। এমন প্রায় ৩০ জন বিচারক বহাল তবিয়তে কাজ করছেন। এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা বলেছি। দলকানা বিচারকদের অপসারণের কথা বলেছি।

বিএনপি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।