ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা গণহত্যা পরিচালনা করেছেন তাদের বিচার এদেশের মাটিতেই হবে : অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার - জনবার্তা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা গণহত্যা পরিচালনা করেছেন তাদের বিচার এদেশের মাটিতেই হবে : অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ২৪, ২০২৪ ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা গণহত্যা পরিচালনা করেছেন তাদের বিচার এদেশের মাটিতে হবে। ইতোমধ্যে অন্তবর্তীকালীন সরকার বিচারের কার্যক্রম শুরু করেছে। আমরা তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। আন্তর্জাতিক আদালতেও ইতোমধ্যে গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাসহ তার সব দোসরদের নামে মামলা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের সময়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার পর যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি সেখানে আর কখনো যেন স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা ফিরে না আসে। জুলুম নির্যাতনের পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়। সে জন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা মহানগরীর ১৮ নং ওয়ার্ডের নবপল্লী বায়তুল আকাবা সংলগ্ন তার বাড়ির সামনের সোনালীনগর মাঠে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও শহীদ সাকিব রায়হানের গর্বিত পিতা আজিজুর রহমানের হাতে নগদ অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। এ সময় শহীদ সাকিব রায়হানের পিতা আজিজুর রহমানকে তিনি বুকে টেনে নিলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তিনি পরিবারের সার্বিক খোঁজ-খবর নেন এবং শহীদ সাকিব রায়হানের শাহাদাত কবুলের জন্য দোয়া করেন। মহান আল্লাহর কাছে ধৈর্য কামনা করেন। তিনি শহীদের পিতার হাতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। ঢাকায় একটি শুমারীতে কর্মরত থাকাবস্থায় সাকিব রায়হান ১৯ জুলাই ঢাকার মিরপুরে পুলিশের গুলিতে শাহাদাৎবরণ করেন।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলালের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চলের পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও অঞ্চল টিম অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান ও মাস্টার শফিকুল আলম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরা জেলা আমীর মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। এতে বক্তব্য দেন মহানগরী নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলম ও প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, শামীম সাঈদী, মহানগরী ছাত্রশিবির সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ নূরুল্লাহ, জেলা সভাপতি বেলাল হোসাইন রিয়াদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, সেক্রেটারি এস এম মাহফুজুর রহমান, মাওলানা শাহারুল ইসলাম, মশিউর রহমান রমজান, মো. আব্দুর রহিম প্রমুখ ।

সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, অসংখ্য ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা স্বৈরাচার সরকারের পতন হয়েছে। এই আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার তার শাসনামলে কত মানুষকে হত্যা করেছে তার হিসাব করাও কঠিন। লাশের বিভৎসতা দেখে কোনো পরিবার স্থির থাকতে পারেনি। স্বামী সন্তান হারিয়ে হাজারো মানুষ দিশেহারা। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ হতে দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করার এই আন্দোলনের সকল শহীদ পরিবারের সাথে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে গণঅভ্যুত্থানের শহীদেরা আমাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

খুলনা জেলা : শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুর দেড় টায় খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার পূর্বরূপসা বাজারের দারুস সালাম জামে মসজিদের মাঠে বায়তুল আকাবা সংলগ্ন তার বাড়ির সামনের সোনালীনগর মাঠে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার রহিম এলাকার মৃত নূর ইসলাম শেখের ছেলে শহীদ মো. ইয়াসিন শেখ, তেরখাদা উপজেলার পানতিতা এলাকার মো. জাফর শেখের ছেলে শহীদ আব্দুল হামিদ শেখ, পাইকগাছা উপজেলার রাড়–লি শ্রীকণ্ঠপুরের আব্দুল করিম গাজীর ছেলে শহীদ মো. নবী নূর ও একই উপজেলার চাঁদখালী চকক্ওায়ালী অন্ধ রফিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে শহীদ রাকিবুল ইসলাম রকির পরিবারের হাতে নগদ অর্থ প্রধান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইনের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক স ম এনামুল হকের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চলের পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও অঞ্চল টিম অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান ও মাস্টার শফিকুল আলম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা আমীর মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন খুলনা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা কবিরুল ইসলাম, খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, খুলনা উত্তর জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি বেলাল হোসাইন রিয়াদ, রূপসা উপজেলা আমীর মাওলানা লবিবুল ইসলাম, বটিয়াঘাটা উপজেলা আমীর মাওলানা শেখ আবু ইউসুফ, তেরখাদা উপজেলা আমীর মাওলানা শেখ হাফিজুর রহমান, খুলনা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ সেক্রেটারি আল-আমীন গোলদার, রূপসা উপজেলা সভাপতি মো. নাজিমুদ্দিন, হাফেজ আশরাফ আলী, আব্দুল হাই বিশ্বাস, মো. ইমন হোসাইন, নাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শহীদেরা যে জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের সেই স্বপ্ন যেন বাস্তবায়ন হয়। অতীতে কে কি করলো, তা নিয়ে প্রতিশোধ পরায়ন না হই। সবাইকে আল্লাহ তায়ালা হেদায়েত দান করুন। ন্যায় ও ইনসাফপূর্ন সমাজ প্রতিষ্ঠায় হাতে হাত রেখে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা ক্ষমতার মসনদের জন্য রাজনীতি করি না। এটা আমাদের দায়িত্বের অংশ।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জন্য আসমান থেকে বরকতের দরজা খুলে দিন। জুলুম থেকে বাংলাদেশকে চির জীবনের জন্য মুক্ত করুন। মেহেরবানী করে আল্লাহর দ্বীনকে এ জমিনে কায়েম করে দিন। প্রয়োজনে আল্লাহর দ্বীনের জন্য আমাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন। যারা জীবন দিয়েছে তাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করে নিন। আল্লাহ শহীদদের পরিবার পরিজন ও আমাদেরকে সুস্থতা দান করুন। বাংলাদেশের জমিনে জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা হাতে হাত মিলিয়ে ইনসাফের বাংলাদেশ গড়বো, ইনশাআল্লাহ।

বাগেরহাট জেলা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগেরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে স্থানীয় দশানী মোড়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও শহীদ পরিবারে নগদ অর্থ প্রদান অনুষ্ঠান শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩ টায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। শহীদদের জন্য দোয়া পরিবারকে সান্তনা দিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, ছাত্র-জনতা দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পতনের জন্য যে আন্দোলনের বীন বাজিয়ে ছিল সেই আন্দোলনে শরিক হয়ে এদেশের হাজারো ছাত্র-জনতা শাহাদাৎ বরণ করেছে। জীবন-মৃত্যুর মালিক একমাত্র সৃষ্টি কর্তা আল্লাহই। যারা দেশের প্রয়োজনে, স্বৈরশাসক উৎখাতের জন্য জীবন দিয়ে ইমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদেরকে যুগ যুগ ধরে এদেশের মানুষ স্মরণ করবে। হকের জন্য তারা জীবন দিয়েছে। তাদের কে কেউ মৃত্যু বলিও না।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশের শূরা সদস্য ও বাগেরহাট জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়ার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, খুলনা অঞ্চল টিমের সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খাঁন, কেন্দ্রিয় শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমীর এডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, মিজানুর রহমান মল্লিক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জরুল হক রাহাত, ইসলামী ছাত্রশিবিরের বাগেরহাট জেলা সভাপতি নাজমুল হাসান সাইফ, সাবেক ছাত্র নেতা শেখ এনামুল কবির, বাগেরহাট পৌরসভা আমীর এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ও বাগেরহাট সদর উপজেলা আমীর ডা. ফেরদৌস আলী প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বাগেরহাট জেলায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলনে নিহত সাব্বির ইসলাম সাকিব, বিপ্লব শেখ, মাহফুজুর রহমান, আলিফ আহমেদ সিয়াম, সোলায়মান শামীম ও আলমগীর মোল্লা নামের ৫ শহীদ পরিবারের প্রত্যেক অভিভাবককে দুই লক্ষ করে টাকা প্রদান করেন।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, রক্তের বিনিময়ে যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি সেই বাংলাদেশে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দৃঢ প্রতিজ্ঞ। নতুন রাষ্ট্র নির্মাণে এই সরকারকে সহযোগীতা করার অঙ্গীকার করেছে জামায়াতে ইসলামী। এই রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে অসংগতি রয়েছে তা পুনঃগঠনে সময়ের প্রয়োজন। তাই জামায়াতে ইসলামী যতটুকু সময় প্রয়োজন এই সরকারকে সহযোগীতা করবে। সকল অসংগতিগুলো দূর হওয়ার পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠ, গ্রহণ যোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে। যার ভোট সে দিবে। এতে কেই বাঁধা হতে পারবে না। এই ভোটেরে মাঠ সৃষ্টি করতে যত অসংগতি আছে তা দূর করার জন্য এই সরকারকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহয়োগীতা করবে।

তিনি বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার যাতে স্থায়ীত্ব পেতে না পারে সে জন্য চক্রান্ত চলেছে। মিলিটারী ক্যু, জুড়িশিয়ালী ক্যু শুধু নয় নতুন নতুন চক্রান্ত করে এই সরকারকে হটাতে চাচ্ছে। সংখ্যালঘু নির্যাতনের ধোয়া তুলেছিল জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে। কিন্তু সকল চক্রান্ত নস্যাত করেছে জামায়াত-শিবির। বাংলাদেশের মন্দিরে মন্দিরে জামায়াত-শিবির পাহারা দিয়েছে। সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু বলে কিছু নেই। আমরা সবাই বাংলাদেশী। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, মুসলমান সকলের এই দেশ। বাংলাদেশে সমান অধিকার নিয়ে বসবাসের অধিকার সবার আছে। মূলত হিন্দুদের জমি দখল, মন্দির ভাংচুর, নির্যাতনের যত ঘটনা সবিই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ঘটিয়েছে। মূলতঃ এরাই সংখ্যালঘু নির্যাতনের ধোয়া তুলে সেক্যুলারদের নিকট ইসলামকে প্রশ্ন বিদ্ধ করতে চেয়েছিল। তাদের সে প্রচেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবশিত হয়েছে। তাই তারা জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ প্রজ্ঞাপন দিয়েছিল। সেই প্রজ্ঞাপন দেওয়ার ৪ দিনের মধ্যে সমূলে পলায়ন করেছে। তারা জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল। এখন তারাই বাংলাদেশ থেকে জনগণ নিষিদ্ধ করে দিল।

মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, এই ভাংগা-চুরা দেশে আজ গড়ব আমরা নতুন তাজমহল। আমাদের দামাল ছেলেরা তাদের বুকের রক্ত দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশে গড়ে দিয়েছে। তা ধরে রাখতে আমাদেরকে অনেক ত্যাগ করতে হবে।