প্রস্তাবিত বাজেটে অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ও থিম পার্ক সেবার ক্ষেত্রে বিদ্যমান মূসক হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশের পরিবর্তে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। ফলে বাজেট প্রস্তাবনা অনুযায়ী অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ও থিম পার্কের বিভিন্ন সেবার খরচ বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। আগামী ৩০ জুন প্রস্তাবিত এই বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম বাজেট। ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’ স্লোগানে এটি দেশের ৫৩তম বাজেট।
তথ্যমতে, গত দুই দশকে এই খাতে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রায় ৬ লাখ লোকের সরাসরি কর্মসংস্থান হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে ৩০০ টিরও বেশি বিনোদন ও থিম পার্ক রয়েছে। এর মধ্যে শতাধিক পার্ক বাএপিএ এর সদস্য। এ খাতের বার্ষিক আয় ৫ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে রাজধানীর শাহবাগে প্রথম শিশুপার্ক স্থাপন করা হয়। এর ছয় বছর পর শ্যামলীর শিশুমেলা পার্ক খোলা হয়। ১৯৯০ সালে গুলশানের ওয়ান্ডারল্যান্ড বিনোদন পার্ক স্থাপিত হয়েছিল। এটি দেশের প্রথম বেসরকারি পার্ক। তবে সরকারি জমির ওপর নির্মিত হওয়ায় দুই দশক পর পার্কটি ভেঙে ফেলা হয়। সেখানে বর্তমানে নাগরিকদের জন্য উম্মুক্ত পার্ক করে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।
