স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হলেই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে সৌদি - জনবার্তা
ঢাকা, রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হলেই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে সৌদি

জনবার্তা প্রতিবেদন
জানুয়ারি ২২, ২০২৪ ১:৫০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য এবং অপরিবর্তনীয় রূপরেখা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ। রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, আমরা এর মাধ্যমে কেবল সুবিধা পেতে পারি। তাই, যেহেতু আমাদের স্থিতিশীলতা প্রয়োজন এবং তা আসতে পারে ফিলিস্তিন ইস্যুত সমাধানের মাধ্যমে।

মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর রাজনৈতিক চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে কি না প্রশ্নের এমন জবাব দেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ ফয়সাল বিন ফারহান।

ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি অবশ্যই (দেব)। কিন্তু কেবলমাত্র একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের মধ্যে দিয়ে তা সম্ভব। আঞ্চলিক শান্তির অর্থ, ইসরায়েলের জন্যেও শান্তি, ফিলিস্তিনিদের জন্যেও শান্তি – এ বিষয়ে আমরা একমত।

৭ অক্টোবর হামাসের হামলার জবাবে গাজায় ইসরায়েল বোমাবর্ষণ ও হামলা শুরু করলে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের উদ্যোগের আলোচনা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয় সৌদি আরব।

গত কিছুদিন ধরে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, গাজায় যুদ্ধের অবসান হলে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী সৌদি আরব। আর সৌদি কর্মকর্তারা সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অস্বীকৃতি না জানালেও বলছেন, এমন কিছুর জন্য স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকতে হবে।

এদিকে হুথিদের ওপর পশ্চিমা হামলার পর সৌদি আরবের মন্তব্য জানতে আগ্রহী ছিলেন বিশ্লেষকরা। এমন অবস্থায় রিয়াদ জানিয়েছে যে, হুথি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি বিপজ্জনক।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে, এ নিয়ে সৌদি আরব খুবই চিন্তিত। হুথিদের আক্রমণ এবং হুথি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলার মধ্যে লোহিত সাগরে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এটি এই অঞ্চলে সংঘাত বাড়াতে পারে।

সিএনএনকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ বলেন, আমরা অব্যশই চিন্তিত। আমরা এই অঞ্চলে খুব কঠিন এবং বিপজ্জনক সময়ে রয়েছি। সেই কারণেই আমরা ডি-এস্কেলেশনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে লোহিত সাগরে এবং তার আশেপাশের জাহাজগুলোতে ইরান-সম্পর্কিত হুথিদের হামলা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যকার বাণিজ্যকে ধীর করে দিয়েছে।