শ্রমিকদের মানবিক মর্যাদা ও পূর্ণ অধিকার আদায়ে সদা সজাগ থাকতে হবে : মাস্টার শফিকুল আলম - জনবার্তা
ঢাকা, বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রমিকদের মানবিক মর্যাদা ও পূর্ণ অধিকার আদায়ে সদা সজাগ থাকতে হবে : মাস্টার শফিকুল আলম

জনবার্তা প্রতিবেদন
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫ ৫:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা মাস্টার শফিকুল আলম বলেন, শ্রমিক নেতারা ঐক্যবদ্ধ হলে শ্রমিকদের দুর্দশা লাঘব করা যাবে। মেহনতি শ্রমিকদের জন্য শ্রমিক নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে কোনও ছাড় দেওয়া যাবে না। শ্রমিকদের মানবিক মর্যাদা ও পূর্ণ অধিকার আদায়ে আমরা সদা সজাগ থাকবো। তিনি বলেন, মালিকেরা শ্রমিকদের মানুষ মনে করে না। এমনকি সরকার-রাষ্ট্র শ্রমিকদের মূল্য দেয় না। যার ফলে শ্রমিকরা আজকে বঞ্চিত হচ্ছে। শ্রমিকরা অধিকার হারা হচ্ছে। খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি. খুলনা ২৩৬৬) এর উদ্যোগে ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

ইউনিয়ন এর সভাপতি বদরুর রশিদ মিন্টু এর সভাপতিত্বে ও মু. ফারুক হোসেনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন খুলনা মহানগরীর সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, সহ-সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান, খালিশপুর থানা সভাপতি মু. জাহিদুল ইসলাম। এ সময় ইলেক্ট্রিশিয়ান শ্রমিক নেতা আনিসুর রহমান মন্টু, মু. শহিদুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, শেখ মাহতাব উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন, রিপন শেখ, মফিজুর রহমান, আব্দুল মান্নান, নাজমুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, আবু তালেব, আব্দুস সালাম, মু. বাবলুসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে বাংলাদেশের নাগরিকরা পিষ্ট হয়েছে। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। চারদিকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মহোৎসব হয়েছে। মানুষের কথা বলার অধিকার রুদ্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও অপপ্রচার ছড়ানো হয়েছে। আজ সেসব অপকর্ম, সন্ত্রাস ও অধিকারহরণের অপরাজনীতি আজ অতীত হয়ে গেছে। আমরা সেই অতীতকে পেছনে ফেলে একটি সমৃদ্ধ ও স¤প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই। ঘৃণা ও বিভেদ আমরা চাই না। একটি সুন্দর ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে হলে নাগরিকদের মাঝে পারস্পরিক স¤প্রীতি ও আস্থা সম্পর্ক তৈরির বিকল্প নেই। তাই ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে নাগরিকদের মাঝে পারস্পরিক স¤প্রীতি ও আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

বিশেষ অতিথি আজিজুল ইসলাম ফারাজী সকল শ্রমিকদের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা আমাদের সকল শ্রমিকদের সাথে সুস্পর্ক চাই। তিনি যেই ধর্ম, দল ও মতেরই হোক না কেন। আমাদের কর্মতৎপরতার সাথে কারও মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু সেই মতভেদ সুস্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না। শ্রমিকরা আমাদের আপনজন। যেকোনো সময় যেকোনো পরামর্শ ও সংশোধনী নিয়ে আমাদের কাছে আসতে সংকোচ করবেন না। আমরা যথাসাধ্য সেই পরামর্শ ও সংশোধনী গ্রহণের চেষ্টা করব। শ্রমিকদের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনায় আমরা শরীক থাকব। যেকোনো সময় যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।’