প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব আগমনের যে বার্তা আমরা পাচ্ছি, এখন থেকে যদি সেভাবে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে ওই জায়গাটা আমরা ধরতে পারব না। কাজেই সেভাবে মাথায় রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি তো কৃষিভিত্তিক। সঙ্গে সঙ্গে শিল্পায়নেও যেতে হয়। আমরা শিল্পায়নে যাচ্ছি কিন্তু একটা পরিকল্পিতভাবে যদি না যাই, আমার ছোট জায়গায় লোকসংখ্যা বেশি সেটা মাথা রেখেই আমরা ১০০টা শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলেছি। এর বাইরে কেউ শিল্পাঞ্চল করতে পারবে না। এসব অঞ্চলে পরিবেশ রক্ষা থেকে শুরু করে সব ধরনের সুবিধা আমরা করে দিচ্ছি। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ যেন হয়। যাতে আমাদের কৃষি জমি বেছে যায়। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কাজ করে যাচ্ছি।’
পৃথিবীর সব দেশে অ্যালামনাই থেকে তারা সহায়তা নেয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটা নভেল ফান্ড তৈরি করে তারা যদি টাকা দেয়, সেই টাকাটা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা ক্ষেত্রে কীভাবে ব্যয় করা যায়, সেভাবে চিন্তা করে যদি কাজ করা যায়, আমার মনে হয় তাহলে খুব বেশি অসুবিধা হওয়ার কথা না।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক যে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি, সেখানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি যারা আছে, ব্যবসায়ী সম্প্রদায় যারা আছেন, সবাইকে যদি একটু সম্পৃক্ত করে রাখা যায়। তারা সেখানে সহযোগিতা করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যদি একটা উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে আমার বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর জন্য আমি একটা ফান্ড তৈরি করব। সেভাবে আমরা কিছু কাজ করব। সেটা করতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয় অনেকটাই নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।’