যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আরও কঠোর করছেন ট্রাম্প - জনবার্তা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আরও কঠোর করছেন ট্রাম্প

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুলাই ২৭, ২০২৫ ১:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করার পরিকল্পনা করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

এর অংশ হিসেবে নাগরিকত্ব পরীক্ষাকে আরও কঠিন করার পাশাপাশি এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে উচ্চ বেতনের চাকরিদাতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে।

এসব তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থার (ইউএসসিআইএস) পরিচালক জোসেফ এডলো। খবর তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলুর।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এডলো বলেন, বর্তমানে নাগরিকত্ব পাওয়ার পরীক্ষাটি খুব কঠিন নয়। খুব সহজেই উত্তর মুখস্থ করে পাস করা যায়। এতে আমরা প্রকৃত আইনের চেতনাকে অনুসরণ করছি না বলেই মনে হয়।

তিনি জানান, তার সংস্থা ২০২০ সালে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদে চালু হওয়া সংস্করণটি আবার চালুর কথা ভাবছে, যেখানে আরও বেশি প্রশ্ন এবং কঠিন শর্ত ছিল।

এছাড়া এইচ-১বি ভিসা সংস্কারের বিষয়েও এডলো মত দিয়েছেন। বর্তমানে প্রতি বছর ৮৫ হাজার বিদেশি পেশাজীবীকে এই ভিসা দেওয়া হয়। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চ বেতনের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

এডলো বলেন, এইচ-১বি ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মার্কিন ব্যবসা, অর্থনীতি এবং কর্মীদের সহায়তা করা। এমনটা না যে তাদের জায়গা দখল করে নেওয়া।

এদিকে এই পরিবর্তনের ফলে তরুণ ও উচ্চ শিক্ষিত অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে সুযোগ হারাতে পারেন বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকেরা।

ক্যাটো ইনস্টিটিউটের অভিবাসন গবেষণা পরিচালক ডেভিড বিঅর নিউজউইককে বলেন, শুধু উচ্চ বেতনের চাকরির ভিত্তিতে এইচ-১বি ভিসা দেওয়া হলে মূলত বয়স্ক কর্মীরাই অগ্রাধিকার পাবেন, যারা হয়তো শিগগিরই অবসর নেবেন বা দেশ ছেড়ে চলে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, এই পরীক্ষাকে সহজ বলা বিস্ময়কর, কারণ বেশিরভাগ আমেরিকানই তা পাস করতে পারবেন না।

এদিকে দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগও এইচ-১বি ভিসা নির্বাচনের লটারিভিত্তিক পদ্ধতি বাতিল করে বেতনের ভিত্তিতে পরিমাপের একটি নতুন পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব বিবেচনা করছে।

ইনস্টিটিউট ফর প্রোগ্রেস-এর মতো সংস্থা বলছে, এতে এইচ-১বি কর্মসূচির অর্থনৈতিক প্রভাব প্রায় ৮৮ শতাংশ বাড়তে পারে।