পরীমণি ও শরিফুল রাজের সংসার অবশেষে ভেঙেই গেল। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন পরীমণি। রাজ্যের ভাই পরিচয়ে ওই চিঠি গ্রহণ করেন এক ব্যক্তি। তবে বিষয়টি নিয়ে চুপ ছিলেন রাজ। এবার জানালেন, বিয়ের কিছুদিন পরই তার ও পরীমণির মধ্যে সমস্যার শুরু হয়।
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজ বলেন, নোটিশ আমি গ্রহণ করে নিয়েছি। আইন অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যা হওয়ার হবে। উইথ ডিউ রেস্পেক্ট, এই সময়ের মধ্যে যা হবে, সেটাই আমি মেনে নেব। পরীর সিদ্ধান্তের সঙ্গে থাকতে চাই। তার সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান করছি।
এরপর তিনি বলেন, আমাদের তো আসলে অনেক দিন ধরেই সমস্যা হচ্ছিল। আজ হোক বা কাল, সম্পর্কটা হয়তো টিকত না। বিয়ের কিছুদিন পরই আমাদের মধ্যে সমস্যা শুরু হয়। আমার মনে হয়, দুজনেরই বোঝাপড়ার বিরাট সমস্যা আছে। থ্যাংকস যে আমরা দুজনই এটা বুঝতে পেরেছি। এখন পরী যে পদক্ষেপটা নিয়েছে, সেটার সঙ্গে আমি আন্তরিকভাবে একাত্মতা পোষণ করছি। আলহামদুলিল্লাহ কবুল বলছি।
এর আগে এক লিখিত বক্তব্যে রাজ বলেন, ‘আমার প্রাক্তনের পাঠানো চিঠি হাতে পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ তার এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাচ্ছি। তাকে (পরীমণি) ধন্যবাদ দিতে চাই আমাকে আমার জীবনের সেরা অর্জন রাজ্যকে উপহার দেওয়ার জন্য।রাজ্যের জন্য যা কিছু ভালো বাবা হিসাবে আজীবন তা করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’
২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বিয়ে করেন পরীমণি ও রাজ। তবে খবরটি প্রকাশ্যে আনেন ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি। একই দিন আরও ঘোষণা করেন, সন্তান আসছে তাদের ঘরে। এরপর ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করেন তারা। গত বছরের ১০ আগস্ট পরীমণির কোলজুড়ে আসে রাজ্য। সন্তান জন্মের বছর খানেকের মাথায় ভেঙে গেল রাজ-পরীর সংসার।
