পুলিশ আমাদের দুইহাত পিছনে বেঁধে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নিয়ে যায়, আমরা কি চোর-ডাকাত? - জনবার্তা
ঢাকা, শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুলিশ আমাদের দুইহাত পিছনে বেঁধে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নিয়ে যায়, আমরা কি চোর-ডাকাত?

জনবার্তা প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ১০, ২০২৩ ১২:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সদ্য জামিনে মুক্তি পাওয়া বিএনপি নেতা বললেন

পুলিশ আমাদের দুই হাত পিছনে বেঁধে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নিয়ে যায়, আমরা কি চোর-ডাকাত? গণতন্ত্রের জন্য আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তারা খারাপ আচরণ করে। আমরা কি কোনো অন্যায় করেছি? জেলখানায় ভেতরে যে কষ্ট দেয়া হয় সেখানে কেউ না গেলে বুঝবে না। আমরা দেশের জন্য সংগ্রাম করছি, মানবাধিকারের জন্য আন্দোলন করছি। মানিকগঞ্জে বিএনপি’র মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলেন সদ্য জামিনে মুক্তি পাওয়া মানিকগঞ্জ পৌর বিএনপি’র সভাপতি নাসিরুদ্দিন আহমেদ জাদু। রোববার মানববন্ধনে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করা সেটা অপরাধ হয়নি আর আমরা মিছিল করতে গেলে, আন্দোলন করতে গেলেই অপরাধ।

গত ৩১শে অক্টোবর বিএনপি’র ডাকা অবরোধে বিক্ষোভ মিছিল করতে গেলে তাকেসহ পাঁচজনকে মিছিল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর মুহূর্তে তাদের ওপর কীভাবে নির্মম অত্যাচার করা হয় বক্তব্যে সে কথা বলতেই কেঁদে ওঠেন জাদু।
সকালে বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতার সার্বিক দিক নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন জেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

সকাল ১০টায় জেলা শহরের বান্দুটিয়া এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার নেতাকর্মী ও নাগরিকদের পরিবারের স্বজনসহ দলটির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এ কবীর জিন্নাহ, মানিকগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ জাদু, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খান মজলিস মাখন, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আরিফ হোসেন লিটন প্রমুখ। এসময় গ্রেপ্তার-নির্যাতন হওয়া পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য রাখেন।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এ কবীর জিন্নাহ বলেন,বাংলাদেশের মাটিতে একতরফা নির্বাচন কখনই মেনে নেব না। সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।