তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ২১ অক্টোবর - জনবার্তা
ঢাকা, সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ২১ অক্টোবর

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ২৭, ২০২৫ ১:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছে আপিল বিভাগ। এ বিষয়ে শুনানি আগামী ২১ অক্টোবর ধার্য করেছে আদালত।

আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির বেঞ্চ রিভিউ আবেদনের শুনানি নিয়ে এই সিদ্ধান্ত দেন।

এদিন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার জন্য একটি কার্যকর সমাধান চায়, যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া বারবার বিঘ্নিত না হয়।

শুনানির শুরুতে আইনজীবী শিশির মনির অভিযোগ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে যেসব বিচারপতি রায় দিয়েছিলেন, পরবর্তীতে তারা প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেই এ রায় ঘোষণা করা হয়।

গত বছরের অক্টোবরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওই রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন। এর আগে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি একই ধরনের আবেদন করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও গত ২৩ অক্টোবর রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট এই সংশোধনীকে সংবিধানসম্মত বলে বৈধতা দেন।

২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যাতে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসে। তবে ২০১১ সালে আপিল বিভাগ এ ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়।