রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে মারধর করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছেন শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রণী ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
মারধরের বিষয়ে রাবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (দপ্তর) নাফিউল ইসলাম জীবন বলেন, বিএনপির অবরোধকে সমর্থন জানিয়ে আমরা ক্যাম্পাসে মিছিল করছিলাম। এমন সময়ে রাবি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আমাদের ধাওয়া করে এবং আমাদের দুইজনে নেতাকে ব্যাপক মারধর করে ক্যাম্পাস ছাড়া করেন।
নাফিউল ইসলাম আরও জানান, মারধরের স্বীকার দুই নেতা হলেন, রাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাকির রেদোয়ান ও মহানগর ছাত্রদলের আওতাভুক্ত একটি ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক প্রিন্স। বর্তমানে তারা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এসময় বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদও মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের দিকে যায়। অন্যদিকে, রাবি ছাত্রলীগের একটি শোডাউনও একই জায়গায় অবস্থান করছিল।
ছাত্রদলের দুই নেতাকে মারধরের বিষয়ে রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব বলেন, আমরা হরতালের দিন থেকেই ক্যাম্পাসে শক্তভাবে অবস্থান করছি। গত পরশুদিন ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী দুইটি একাডেমিক ভবনে তালা দিয়ে ছিল। আমরা তা খুলে দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছি। মাহমুদুল মিঠুর নেতৃত্বে আজও কিছু ছাত্রদল নেতাকর্মী বিশৃঙ্খলা করার জন্য ক্যাম্পাসে এসেছিল। আমরা তাদের ধাওয়া দিয়ে বের করে দিয়েছি। যতক্ষণ শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা চলবে আমরা তাদের পাহারাদার হিসাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করব।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদের র্যালি করার সময় তারা আমাদেরকে জানিয়েছে তাদের ছাত্রদলের দুইজন নেতাকে মারধর করা হয়েছে। কিছুক্ষণ আগে আমরা ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে বসেছিলাম। তারা জানিয়েছে তারা কারো গায়ে হাত তোলেনি।
