চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ ‘সি’-এর প্রথম দুই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানের কাছে হেরে বিদায় নিশ্চিত হয় গতবারের সেমিফাইয়ালিস্টদের। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন কিউই অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন। চার ম্যাচে ব্যাট হাতে মাত্র ২৮ রান করেছেন তিনি। বিশ্বমঞ্চে উইলিয়ামসনের মতো ক্রিকেটার এমন পারফর্মেন্স বড্ড বেমানান। এদিকে কিউই অভিজ্ঞ পেসার ট্রেন্ট বোল্ট টি-টোয়েন্টি সংস্করণকে বিদায় বলে দিয়েছেন। আর টি-টোয়েন্টিতে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি উইলিয়ামসন।
এমন লজ্জার বিদায়ের পর বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। সাদা বলের অধিনায়কত্বও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপ থেকে নিউজিল্যান্ড দলের বিদায়ের সঙ্গে-সঙ্গে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন নিলেন বড় এক সিদ্ধান্ত। কেন উইলিয়ামসন ২০২৪-২৫ এর জন্য করা নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছেন। পেসার লকি ফার্গুসনও কেন্দ্রীয় চুক্তিতে সই করতে নারাজ। আগামী মাসে চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা হতে পারে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে দলের লজ্জাজনক বিদায়, কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানো উইলিয়ামসনকে সাদা বলের ক্রিকেটে আর নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে না। কেন উইলিয়ামসন বুধবার (১৯ জুন) নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটকে হতবাক করে দেন।
কেন উইলিয়ামসন ১৬৬টি সাদা বলের ম্যাচ এবং ৪০টি টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। উইলিয়ামসনের হঠাৎ সিদ্ধান্তে নিউজিল্যান্ডকে এখন নতুন সীমিত ওভারের অধিনায়ক খোঁজতে হবে।
এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে টেস্ট দলের দায়িত্ব ছাড়েন কেন। পরিবারকে সময় দেওয়ার জন্য ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আরও বেশি করে খেলার জন্য আগামী মৌসুমের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালেও কেন উইলিয়ামসন জানিয়েছেন, দেশের হয়ে খেলাকেই তিনি অগ্রাধিকার দেবেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৮টি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ খেলবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। ফেব্রুয়ারি-মার্চে পাকিস্তানে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলবেন তিনি।
