আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ আয়োজনকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার পুলিশ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিতে একজন যুবদলনেতা নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলের কয়েকশ নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পশ্চিমা কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে তাদের নাগরিকদের চলাচলের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কূটনীতিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’
রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো মুহূর্তে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যেতে পারে। এজন্য তারা কয়েকশ লোককে ভেরিফাইডও করেছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ২০১৬ সালের পর বাংলাদেশে এসেছে, তাদের মিয়ানমার ফিরিয়ে নিতে রাজি। কিন্তু যারা ২০১৬ সালের আগে এসেছে, তাদেরকে নিয়ে যেতে রাজি নয়। ইতোমধ্যে মিয়ানমার যেসব রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে, তাদের যেকোনো মুহূর্তে সেদেশে নিয়ে যেতে পারে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যারা ২০১৬ সালের আগে এসেছিল, তাদের সংখ্যা ৩৩ হাজার। তাদেরকে মিয়ানমার না নিয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্রসহ যে দেশগুলো রোহিঙ্গা নিয়ে যাচ্ছে, তাদেরকে পুরোনো রোহিঙ্গাদের নিয়ে যেতে সুপারিশ করা হবে।’