মৃত্যুর পরও শরীরের এই অঙ্গটি দীর্ঘক্ষণ বেঁচে থাকে - জনবার্তা
ঢাকা, সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মৃত্যুর পরও শরীরের এই অঙ্গটি দীর্ঘক্ষণ বেঁচে থাকে

জনবার্তা প্রতিবেদন
জুলাই ১১, ২০২৪ ২:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জীবনের এক অমোঘ সত্য মৃত্যু। প্রত্যেক প্রাণীকে এর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। মৃত্যুর পরের জীবন অজানা।

মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে এক এক করে শরীরের অঙ্গগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়। সবার আগে বন্ধ হয় শ্বাস প্রশ্বাস প্রক্রিয়া। তারপরই বন্ধ হয় হৃদস্পন্দন। পরবর্তী পাঁচ মিনিটে শরীরের অভ্যন্তরে অক্সিজেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এসময় শরীরের কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’ বলে।

তবে শরীরের এমন কয়েকটি অঙ্গ রয়েছে যা মারা যাওয়ার পরেও সচল থাকে। সেগুলো কী? চলুন জেনে নিই-

অনেকসময় দেখবেন মৃত রোগীর শরীর থেকে বিভিন্ন অঙ্গ অন্যের শরীরের প্রতিস্থাপন করা হয়। মৃত্যুর পরপরই এই কাজগুলো করা হয়। মৃত্যুর পরবর্তী ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা হৃদপিণ্ড সজীব থাকে। কিডনি সতেজ থাকে ৭২ ঘণ্টা। অন্যদিকে লিভার ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা সতেজ থাকে।

মৃত্যুর পরও বাড়তে পারে নখ ও চুল। অনেকসময় দেখা গেছে, মানুষের মৃত্যুর পরও তাঁর দাড়ি বাড়ছে।

মৃত্যুর পরও প্রাণীর মূত্রনালির ব্লাডার খালি হতে পারে। অনেকসময় মৃত্যুর পর মৃতদেহ থেকে প্রস্রাব নির্গত হতে পারে।

মৃত্যুর পরও স্নায়ুতন্ত্র তার কাজ বন্ধ করতে বেশ কিছুটা সময় নেয়। এই কারণেই প্রায়শই মৃতের শরীর নড়াচড়া করতে দেখা যায়। পেশী শক্ত হয়ে গেলেও এই নড়াচড়া ঘটে। যেমনটা জীবিত অবস্থায় ঘটত।

মৃত্যুর পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চোখ অপসারণ করে অন্য রোগীর দেহে স্থাপন করলে সেটি কাজ করবে। মৃত্যুর পর মানব চোখের কর্নিয়া ৬ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়।

চোখ ছাড়াও কিডনি, হার্ট ও লিভারের মতো অঙ্গগুলো প্রতিস্থাপন করা হয়। এই অঙ্গগুলোর কোষগুলো মৃত্যুর পরেও কাজ করতে থাকে।

যদি প্রশ্ন হয় মৃত্যুর পর শরীরের কোন অংশ সবচেয়ে বেশি সময় বেঁচে থাকে তাহলে উত্তর হবে ত্বক ও হাড়। এগুলোকে প্রায় ৫ বছর বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। একই সময়ে, হৃৎপিণ্ডের ভালভগুলো ১০ বছর ধরে বাঁচিয়ে রাখা যায়।