ভোমরা স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ, ১৩ দিন পর উদ্ধার - জনবার্তা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোমরা স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ, ১৩ দিন পর উদ্ধার

জনবার্তা প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৩ ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে সাউদ সাদাত নামে চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ১৩ দিন পর ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খানের ভাড়ার বাসা থেকে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খানের ম্যানেজার মহসিনকে আটক করা হয়েছে।

উদ্ধার ব্যবসায়ী সাউদ সাদাত চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ফরহাদাবাদ এলাকার সামছুল আলমের ছেলে।

ব্যবসায়ীর স্ত্রী ফারহানা রেজা জানান, ১ সেপ্টেম্বর তার স্বামীসহ তিনজন ব্যবসার কাজে সাতক্ষীরার ভোমরাস্থল বন্দরের নাম করে বাড়ি থেকে রওয়ানা হন। ভোমরায় আসার পর সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান তার স্বামীর সঙ্গে থাকা অপর দুজন ব্যবসায়ীকে চলে যেতে বলেন। স্বামীর ব্যবহৃত ফোনটি নিয়ে নেন। পরে তার স্বামীকে নতুন একটি নম্বরের সিম দেন। সে নম্বর দিয়ে তার স্ত্রীকে জানান, তাকে ভোমরায় একটি রুমে আটকে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে।

ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান বলেন, সাউদ সাদাতের সঙ্গে চারমাস ধরে ব্যবসা চলছিল। লেনদেনও ভালো ছিল। হঠাৎ কোরবানি ঈদের ১০ দিন আগে আমার কাছ থেকে এক কোটি ২৩ লাখ টাকার শুকনো মরিচ, রসুন, পেঁয়াজ নিয়ে আর টাকা দেয়নি। এ বিষয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারি থানা ও সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।

ব্যবসায়ী সাউদ সাদাতকে আটকে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার ম্যানেজারের সঙ্গে একসঙ্গে একরুমে থাকতো, খাওয়া-দাওয়া করতো। ১৭ সেপ্টেম্বর আমার পাওনা ৫০লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা যাতে না দিতে হয় এ জন্য তিনি এই অপহরণের নাটক সাজিয়েছেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ভোমরার একটি বাসা থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।