তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তাই দ্বিতীয় ম্যাচটি টাইগারদের জন্য সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। সিরিজে সমতা ফেরানোর ম্যাচে টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আগে ব্যাট করতে নেমে রিঙ্কু সিং ও নীতিশ কুমারের ১০৮ রানের বিধ্বংসী জুটিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে হারিয়ে ২২১ রানের সংগ্রহ পায় ভারত। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৯ উইকেটে ১৩৫ রানে থামে বাংলাদেশ। তাতে ৮৬ রানের জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিল সূর্যকুমার যাদবের দল।
এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতের হয়ে ইনিংস শুরু করতে নামেন সানজু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এই দুইজনের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় ম্যান ইন ব্লুরা। দিল্লীর ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে প্রথম ওভারে ১৫ রান নেয় এই দুই ওপেনার। তবে দ্বিতীয় ওভারে এসেই রানের লাগাম টেনে ধরেন তাসকিন আহমেদ।
টাইগার পেসারের স্লোয়ার করা শেষ বলে মিড অফের ওপর দিয়ে মারতে গিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর কাছে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিন। যাবার আগে ১০ রান করেন তিনি। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মাও। ইনিংসের তৃতীয় ওভার করতে আসা তানজিম হাসান সাকিবের বল তুলে মারতে গিয়ে ইন সাইড এজে বোল্ড হয়ে সাজ ঘরে ফেরেন তিনি। ১৫ রান করেন তিনি।
তৃতীয় উইকেটে নীতিশ কুমারকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তবে আজ ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন অধিনায়ক সূর্য। মুস্তাফিজের বলে দলীয় ৪১ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। প্যাভিলিয়নে যাবার আগে ৮ রান করেন তিনি।
এরপর বাইশে আসা রিঙ্কু সিংকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন নীতিশ কুমার রেড্ডি। ধীরে ধীরে টাইগার বোলারদের ওপর চড়াও হন এই দুই ব্যাটার। একই সঙ্গে নিজের অর্ধশতক তুলে নেন নীতিশ। ফিফটি করে বাংলাদেশে বোলারদের ওপর আরও চড়া হন নীতিশ। রিঙ্কুকে সঙ্গে নিয়ে ১০৮ রানের জুটি গড়েন রেড্ডি। তবে দলীয় ১৪৯ রানের আউট হলে ভাঙে এই জুটি।
নীতিশ আউট হলে বাইশ গজে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাকে সঙ্গে নিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন রিঙ্কু। ২৬ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। দলীয় ১৮৫ রানে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। শেষ দিকে হার্দিকের ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানের সংগ্রহ পায় সূর্যকুমার যাদবের দল। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন রিশাদ হোসেন।
