প্রবাসী হত্যায় স্ত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, মেয়ের যাবজ্জীবন - জনবার্তা
ঢাকা, সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রবাসী হত্যায় স্ত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, মেয়ের যাবজ্জীবন

জনবার্তা প্রতিবেদন
আগস্ট ৩০, ২০২৩ ৬:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুমিল্লার চান্দিনায় শহীদ উল্যাহ (৪৮) নামের এক প্রবাসীকে হত্যার দায়ে তার স্ত্রীসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মেয়েকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ আগস্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কাশারীখোলার নিহত শহীদ উল্ল্যাহর স্ত্রী হাছনেয়ারা বেগম ওরফে হাছেনা, একই গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে মো. শাহজাহান, মৃত মধু মিয়ার ছেলে মো. আমির হোসেন ও মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে মো. মোস্তফা। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- নিহতের মেয়ে মোছা. খাদিজা বেগম ওরফে খোদেজা।
রায় ঘোষণার সময় আমির হোসেন, হাছনেয়ারা ও খাদিজা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আর মো. মোস্তফা ও শাহজাহান পলাতক রয়েছেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বরাত দিয়ে অ্যাডভোকেট জাকির জানান, ২০০৯ সালের ২১ নভেম্বর সকাল ৭টার দিকে ধানখেত থেকে প্রবাসফেরত শহীদ উল্ল্যাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শহীদ উল্ল্যাহ চান্দিনা থানাধীন কাশারীখোলার ছায়েদ আলীর মেজো ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আরব আলী (৫৬) বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চান্দিনা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তারেক এবং আ. হান্নান তদন্তে নিহতের স্ত্রী-মেয়ের সম্পৃক্ততা পান। পরে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমির হোসেন, শাহজাহান ও মোস্তফাসহ মোট পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরবর্তীতে ২০১০ সালের ২৬ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জ গঠন করলে রাষ্ট্রপক্ষের ৮ জন এবং আসামিপক্ষে একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানির পর আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ এই রায় দেন।