নিরাপদে সরে না গেলে সরকার পালানোর পদ খুঁজে পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের পরাজয় নিশ্চিত। প্রকৃত উন্নয়ন করে থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে সরকার এত ভয় পেত না।
শুক্রবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সফর উপলক্ষে দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। চিরিরবন্দর ও খানসামা উপজেলা বিএনপি এ গণসংবর্ধনার আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ খুশি নয়, তারা জেগে উঠেছে। সমাবেশের নামে নাকি আমরা নাশকতা করছি। এ জন্য সমাবেশ করতে দেওয়া হয় না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে দেশের মানুষ এখন সচেতন। এবারের সংগ্রামে আমাদের জয় হবেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১০ দফা দিয়েছি। এখন প্রথম দফায় আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ চাই।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৪ আসনের সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান মিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সহসভাপতি মোকাররম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনা হেনা চৌধুরী হিরা, চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান শাহ, খানসামা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, খানসামা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ টি এম সুজা উদ্দিন লুহিন শাহ প্রমুখ।
এদিকে আজ এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে নির্মূলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। মিথ্যা মামলা, বাসায় তল্লাশি, গ্রেপ্তার আতঙ্ক সৃষ্টি করে জনগণের চলমান আন্দোলন দমন করা যাবে না। জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে সরকারকে পদত্যাগ করতেই হবে।
চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দলের নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা, বাসায় বাসায় তল্লাশির অভিযোগ তুলে এ বিবৃতি দেন তিনি। এতে নেতাকর্মীকে মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা বাস্তবায়ন ও বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবিতে দেশব্যাপী বিএনপি কর্মসূচি বানচালে সরকার তার অনুগত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে।’
