জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য এবং ভূমির অবক্ষয় রোধকল্পে বিশ্বকে অবশ্যই প্রকৃতি জন্য অর্থায়ন দ্বিগুণ করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতার মাত্রা এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি বন্ধ করা, ভূমি অবক্ষয় নিরপেক্ষতা অর্জন এবং আরও অনেক কিছুর মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের জন্য বছরে ৪৮৪ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন প্রয়োজন হবে।’
ইউএনইপিয়ের নির্বাহী পরিচালক ইনগার অ্যান্ডারসেন বলেছেন ‘যেহেতু আমরা ২০৫০ সালের মধ্যে নেট-জিরো নির্গমনে রূপান্তরিত হবো, সেই সঙ্গে আমাদের অবশ্যই সব মানবিক ক্রিয়াকলাপকে পুনর্বিন্যাস করতে হবে, যাতে আমরা সবাই নির্ভরশীল প্রাকৃতিক বিশ্বের উপর চাপ কমাতে পারি।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘সরকারগুলো বর্তমানে প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের জন্য ৮৩ শতাংশ অর্থায়ন সরবরাহ করে। তবে সংঘাত, ঋণ এবং দারিদ্র্যের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক চ্যালেঞ্জগুলোর দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকবে এবং তাই বেসরকারি খাতকে অবশ্যই বছরে বর্তমান ২৬ বিলিয়ন ডলার থেকে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে।’
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘দীর্ঘময়াদী গ্লোবাল ওয়ার্মিংকে এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য টেকসই কৃষি এবং পিটল্যান্ড পুনরুদ্ধারের জন্য তহবিল প্রয়োজন। কারণ কয়লা পর্যায়ক্রমে এবং শক্তি সেক্টরকে ডিকার্বনাইজ করা নিজেই যথেষ্ট হবে না।’
